ক্লাস চলাকালীন সিলিং ফ্যান পড়ে মাথা ফাটল ২ ছাত্রীর, দুর্ঘটনা হুগলির স্কুলে


ক্লাস রুমে ছাত্রীদের মাথায় খুলে পড়ল সিলিং ফ্যান। মাথা ফাটল দুই ছাত্রীর। ঘটনা হুগলি জেলার বৈদ্যবাটী সুরেন্দ্রনাথ রায় বালিকা বিদ্যালয়ে। আহত দুই ছাত্রীকে শ্রীরামপুর ওয়ালস্ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে অভিভাবকদের একাংশ।

Fake Lawyer : ডিগ্রি-লাইসেন্সের বালাই নেই, ভুয়ো উকিলের হদিশ মিলল আরামবাগ মহকুমা আদালতে
স্কুল সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ শ্রেণির ফোর্থ পিরিয়ডে ইংরেজি ক্লাস চলাকালীন হঠাৎই একটি সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে ছাত্রীদের। আহত হন দুই ছাত্রী। তড়িঘড়ি তাদের শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের মাথায় সেলাই দেওয়া হয়। একজনের সিটি স্ক্যান করতে বলেছেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনার আকস্মিকতায় ক্লাসের অন্য ছাত্রীরাও ভয় পেয়ে যায়।

Panchayat Election 2023 : ভোট আসে ভোট যায় সংস্কার হয় না দুর্বল সেতু, ক্ষুব্ধ হুগলির বাসিন্দারা
জানা গিয়েছে, ঘটনার পর আতঙ্কে কয়েকজন ছাত্রী অসুস্থ বোধ করে। তাদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে বিদ্যালয়ের বাকি শ্রেণিকক্ষের ফিলিং ফ্যান গুলি ঠিক আছে নাকি তাও দেখা হয়। স্কুলের শিক্ষিকা গৌরী মণ্ডল জানান, তখন ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছিলাম। ছাত্রীরা মনোযোগ দিয়ে শুনছিল। হঠাৎ একটি সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে ছাত্রীদের মাথার উপর। দুটি ছাত্রী আহত হয়। স্কুলের পাশেই একজন চিকিৎসক থাকেন। তাকে ডেকে এনে ছাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। পরে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। ঘটনায় ক্লাসের অন্য ছাত্রীরা ভয় পেয়ে যায়।

West Bengal Panchayat Election : স্ত্রীর কাঁধে লাল ঝান্ডা, TMC নেতা হয়েও &amp#39;হাসি&amp#39; মুখে প্রচারে পতিব্রতা স্বামী
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা নিবেদিতা হাটি বলেন, ‘সিলিং ফ্যান মাথায় পরে দুটি ছাত্রী ভালো রকম আহত হয়েছে।আমারা অ্যাম্বুল্যান্স করে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওদের চিকিৎসার দায়িত্ব স্কুল থেকে নেওয়া হয়েছে। স্কুল সূত্রে খবর, সুরেন্দ্রনাথ রায় বালিকা বিদ্যালয়ে একশ সিলিং ফ্যান আছে। ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে সব ফ্যান পরীক্ষা করা হবে। ছাত্রীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে যাতে এরকম দুর্ঘটনা আর না ঘটে। তারা নিরাপদে স্কুল ঘরে যাতে ক্লাস করতে পারে সে ব্যাপারে জানানো হয়েছে ছাত্রীদের অভিভাবকদের।

Balagarh Panchayat News : ‘ছেলেকে পড়াচ্ছি, কিন্তু সোজাপথে চাকরি কই’? প্রশ্ন বলাগড়ে

তবে গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা স্কুল চত্বরে। এক অভিভাবক জানান, স্কুলের উচিত মাঝেমধ্যেই এই ধরনের জিনিসগুলো চেক করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা। এতে আরও বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। এভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি করা ঠিক নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *