Kalighater Kaku : দু’ফোনের কথাবার্তাই কি কাকুর গলার কাঁটা – kalighater kaku was always in touch with manik bhattacharya the former president of the primary education board said ed


সোমনাথ মণ্ডল
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হলেও নিজেকে বরাবর নির্দোষ বলে দাবি করে এসেছেন কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও করেছেন তিনি। কিন্তু তাদের হাতে আসা সুজয়ের দু’টি মোবাইল নম্বরের কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এই তদন্তে মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছে ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, একটি নির্দিষ্ট নম্বরের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন বেহালার বাসিন্দা সুজয়কৃষ্ণ।

Kalighater Kaku Sujay Krishna Bhadra : প্যারোলের মেয়াদ বাড়ল কালীঘাটের কাকুর, মানতে হবে একাধিক শর্ত
তিনি মানিককে প্রাথমিকের টেট পরীক্ষার্থীদের রেজাল্ট থেকে অ্যাডমিট কার্ড পাঠিয়ে চাকরির জন্য নিয়মিত সুপারিশ করতেন। পাশাপাশি অন্য একটি মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে নথি লোপাট করতেও নির্দেশ দিতেন তিনি। আইনজ্ঞ মহল মনে করছে, এই মামলায় ওই ২টি মোবাইল ভবিষ্যতে সুজয়কৃষ্ণের গলার কাঁটা হয়ে উঠতে পারে।

Jiban Krishna Saha : প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে স্ত্রী, জানালেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ
আদালতে নথি পেশ করে ইডি এর আগে দাবি করেছিল, বিভিন্ন সূত্রে চাকরিপ্রার্থীদের সুপারিশ আসত মানিক ভট্টাচার্যের কাছে। একটি মোবাইল নম্বরের (৯১২*****৪২ ) কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সাল পর্যন্ত মানিকের সঙ্গে সুজয়ের ভালোই যোগাযোগ ছিল। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে চাকরির সুপারিশ করেছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। এ বিষয়ে যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, তদন্তকেও ভুল পথে তিনি চালনার করার চেষ্টা করেন বলে দাবি ইডি-র।

Partha Chatterjee : পার্থর জামিন চেয়ে লড়বেন ইডির প্রাক্তন আইনজীবী
গত বছরের জুলাই মাস থেকে যখন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শিক্ষা দপ্তরের প্রাক্তন কর্তা-ব্যক্তিদের সিবিআই এবং ইডি গ্রেপ্তার করতে থাকে, তখন থেকেই সতর্ক হয়ে যান কালীঘাটের কাকু। তবে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সে সময়েও যোগাযোগ রাখতেন তিনি। তাঁদের মধ্যে অনেকে পরে গ্রেপ্তার হন। অন্যদিকে, চার্জশিটে নাম থাকা গোপাল দলপতি প্রথমে দাবি করেন, ধৃত কুন্তল ঘোষ কালীঘাটের কাকুর কাছে টাকা দিয়ে আসতেন।

Saayoni Ghosh : ইডির পরে সায়নী এবার সিবিআইয়ের নজরেও
এর পর ধৃত তাপস মণ্ডল কালীঘাটের কাকু কে সেই রহস্যর থেকে পর্দা তোলেন। এই মামলার তদন্তে নেমে ইডি-র হাতে আসে আরেকটি মোবাইল নম্বর (৯৮৩১****১৩)। সংস্থার দাবি, চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ৪৬ মিনিটে একজনকে ফোন করে নথিপত্র এবং অ্যাডমিট কার্ড লোপাট করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু। ওই দু’টি মোবাইলের কল রেকর্ড সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বলে দাবি করা হলেও সে বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠাতে চান গোয়েন্দারা। আজ, বৃহস্পতিবার ইডি বিশেষ আদালতের শুনানিতে সেই আবেদন জানাতে পারেন তদন্তকারীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *