পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়। রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছে তিনজন। বুধবার নিউটাউন থানায় গিয়ে ভাঙরের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই যুবতী। পরবর্তীকালে বউবাজার থানায়ও অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু করে বউবাজার থানার পুলিশ। সেই মামলার ভিত্তিতে আগাম জামিনের আবেদন ভাঙড়ের বিধায়কের।
বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন নওশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা ওই যুবতী। পুলিশের এই তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনা ‘সাজানো’ বলে দাবি করেছে আইএসএফও। কেউ কেউ আবার পুলিশের এই তৎপরতার প্রশংসা শোনা গিয়েছিল অনেকের গলায়।
অন্যদিকে ওই যুবতীর পরিচয় সামনে আসার পর থেকে বিতর্কে আগুনে আরও ঘি পড়েছে। জানা গিয়েছে, ডোমকলের বাসিন্দা ওই তরুণী শহর তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদিকা পদে ছিলেন। তৃণমূলের একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে উপস্থিত থাকতে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এমনকী মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনার পর নওশাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ে।
অভিযোগকারীর অভিযোগ শুনে বুধবার নওশাদ বলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে এই মামলা করা হয়েছে। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করব না। আইজীবীরা বিষয়টি দেখছেন।’ কলকাতা হাইকোর্ট এখন এই মামলায় নওশাদকে জামিন দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার।
