এদিন কলকাতা হাইকোর্ট চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিরোধী দলনেতা। রাজ্য পুলিশকে নিশানা করে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘আমাকে অবৈধ চিঠি পাঠিয়েছে মমতার পুলিশ। রেজিস্টারের কাছে কেস ফাইল করেছি। বেলা ১টার সময় বিচারপতি অমৃতা সিনহা শুনবেন। আমাকে বুথের বাইরে বেরোতে দেবেন না বলেছে। ভোট দিতে গেলে ভিতরে আমার নিরাপত্তারক্ষীরা ঢুকবে না বলে জানিয়েছে।’
শুভেন্দু আরও বলেন, ‘ভোটের আগে আনিসুর রহমান নামে একটা খুনিকে ভাইপো প্যারোলে ছাড়িয়েছিল। আদালত সেই নির্দেশ খারিজ করেছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আমার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিএসএফকে স্পর্শকাতর বুথের তালিকা থেকে তৈরি করে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এবারের ভোটে মানুষ প্রতিরোধ কবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নেবে মানুষ।’
এদিন ফের একবার আদালত ও বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ গুরুত্বপূর্ণ মামলা সরিয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা শুনেছেন। এই পঞ্চায়েত নির্বাচন আদালতের নজরদারিতে হচ্ছে। বিচারব্যবস্থা রক্তপাতহীন নির্বাচন চাইছে, মানুষ যাতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেটা চাইছে। আগামিকাল কোনও মৃত্যু হলে সরকার, পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে আদালতে এসে জবাব দিতে হবে। মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি রাখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এর থেকে বেশি আর কী পাওনা, যে গোটা বিচারব্যবস্থা রাজ্যের নির্বাচন সুষ্ঠভাবে করানোর জন্য চেষ্টা করছে।’
আগামিকাল পঞ্চায়েত নির্বাচন। সন্ত্রাসের আবহে ফের ভোটে রক্তপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু এদিন ভোটারদের আশ্বস্ত করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘কাল মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আমি সাধারণ মানুষকে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করব, কারণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাকি আমরা বুঝে নেব। আমরা গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।’
