নিখোঁজ ব্যালট উদ্ধার হল ড্রেন ও পাট খেত থেকে। এখনও একটি ব্যালট বক্স পাওয়া যায়নি। জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর গ্রামপঞ্চায়েতের পাহাড়পুর হাকিমপাড়া বিএফপি বিদ্যালয়ের ২৩৬নং বুথের ঘটনা। ব্যালট বাক্স জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির।
গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভালো ভোট হয় এই বুথে। অভিযোগ, দুপুরের পরেই কিছু দুস্কৃতীরা বুথে ঢুকে ব্যাপক ছাপ্পা ভোট দেয়। এর পরেই আরও এক দল দুস্কৃতি সেখানে গিয়ে মোট তিনটি ব্যালট বক্স নিয়ে চলে যায়। গতকাল রাতে নিখোঁজ ব্যালট বক্সগুলিকে খোঁজা হলেও পাওয়া যায়নি।
রবিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় বুথের থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি নর্দমার মধ্যে পরে রয়েছে একটি ব্যালট বক্স। অপর আরও একটি ব্যালট বক্স পাওয়া যায় পাট খেত থেকে। এখনও তিন নম্বর ব্যালট বাক্সটি পাওয়া যাচ্ছে না৷ এই ঘটনায় তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা করেছে। পালটা বিজেপির অভিযোগ, এটা তৃণমূলের কাজ আমাদের বদনাম করার জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে জলপাইগুড়িতে জেলা পরিষদের মোট আসন ছিল ১৯টি। সেই আসন সংখ্যা বেড়ে হয় ২৪টি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী- বাম-কংগ্রেস বা বিজেপি একটিও আসন জিততে পারেনি।
শনিবার দিনভর জলপাইগুড়ি জেলার একাধিক জেলায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। মালবাজার ব্লকের ওদলাবাড়ি হিন্দি হাইস্কুলের বুথে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বুথের দরজা বন্ধ করে পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের সামনেই ছাপ্পা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই এলাকায় নির্দল প্রার্থীর দুই অনুগামীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
পাশাপাশি, ধূূপগুড়ি এলাকার সোনাখালি বনবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়। গণ্ডগোল ছড়িয়ে পড়ে বাইরেও। কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, নিরাপত্তার দায়িত্বে একজন মহিলা কর্মী। তাঁর সামনেই ছাপ্পা ভোট চলে বলে কংগ্রেস ও তৃণমূলের অভিযোগ।
