কিন্তু কমিশনের এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা দাঁনা বাধতে শুরু করেছে রাজনৈতিকমহলে। বিরোধীদের কারও কারও দাবি, স্ট্যাম্প বা প্রিসাইডিং অফিসারের সই নেই, এই অজুহাতে প্রচুর বৈধ ভোট বাতিল করা হতে পারে। গণনায় শাসকদলকে সুবিধা করে দিতে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এটা একটা ছুতো বলেই মনে করছেন বিরোধীরা।
প্রসঙ্গত, এই বছর ব্যালট পেপার নিয়ে প্রথম থেকেই বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে ইডি ভোটের গোপনিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ইডি ভোটে যে গোপনিয়তা থাকার কথা ছিল, তা রাখা হয়নি। একাধিক ব্যালট ছাপা হয়েছে। ব্যালট পেপার যেখানে ছাপতে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সঙ্গেও শাসকদলের নেতাদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু।
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি
পরবর্তী সময়ে ভোটের দিনও দেখা গেল বারেবারে দুষ্কৃতীদের নিশানায় পড়ল ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্স। বিভিন্ন জায়গায় ব্যালট বক্স ভেঙে ফেলা হল। কোথাও ধরিয়ে দেওয়া হল আগুন, তো কোথাও আবার ঢেলে দেওয়া হল জল। কোথাও তো ব্যালট বক্স পুকুরেও ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একইভাবে ব্যালট পেপারও অনেক জায়গায় ছিঁড়ে ফেলা হয়। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। কোনও কোনও জায়গায় পুকুরের জলে ব্যালট পেপার ভাসতে দেখা যায়। এছাড়া ছাপ্পা ভোট এবং ব্যালক বক্স লুঠ করার চেষ্টার অভিযোগ তো রয়েইছে। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে ব্যালটকে আলাদা করে টার্গেট করে দুষ্কৃতীরা। আর সেই কারণেই হয়ত গণনার সময় যে কোনওরকম কারচুপি রুখতে এই বিজ্ঞপ্তি নির্বাচন কমিশনের। ইতিমধ্যেই এই বিজ্ঞপ্তি সমস্ত জেলা শাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
