WB Panchayat Election Result : স্ট্যাম্প-সই না থাকলে বাতিল ব্যালট? কমিশনের নয়া বিজ্ঞপ্তি – state election commission has issued a new notice regarding ballot paper on panchayat election counting


আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। এর পরেই গ্রাম বাংলার ‘রায়’। অর্থাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল ঘোষণা। এরই মাঝে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে শুরু নয়া বিতর্ক। আজ দুপুরে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যালট পেপারের উপর একটা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে স্ট্যাম্প লাগানো বাধ্যতামূলক। ভোটারের হাতে সেই ব্যালট পেপার পৌঁছনোর আগে তাতে স্ট্যাম্প ও প্রিসাইডিং অফিসারের সই অবশ্যই থাকতে হবে। গণনার সময়ে যদি দেখা যায় কোনও ব্যালটে প্রিসাইডিং অফিসারের সই বা পিছনে সেই স্ট্যাম্প নেই, তাহলে তা বাতিল করা হবে। মূলত গণনায় স্বচ্ছতা রাখতেই কমিশনের এই নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে।

কিন্তু কমিশনের এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা দাঁনা বাধতে শুরু করেছে রাজনৈতিকমহলে। বিরোধীদের কারও কারও দাবি, স্ট্যাম্প বা প্রিসাইডিং অফিসারের সই নেই, এই অজুহাতে প্রচুর বৈধ ভোট বাতিল করা হতে পারে। গণনায় শাসকদলকে সুবিধা করে দিতে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এটা একটা ছুতো বলেই মনে করছেন বিরোধীরা।

WB Panchayat Vote 2023 : ব্যালটে আগুন, পুকুরে ভাসছে পেপার! জলেই গেল জনমত
প্রসঙ্গত, এই বছর ব্যালট পেপার নিয়ে প্রথম থেকেই বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে ইডি ভোটের গোপনিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ইডি ভোটে যে গোপনিয়তা থাকার কথা ছিল, তা রাখা হয়নি। একাধিক ব্যালট ছাপা হয়েছে। ব্যালট পেপার যেখানে ছাপতে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সঙ্গেও শাসকদলের নেতাদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি
পরবর্তী সময়ে ভোটের দিনও দেখা গেল বারেবারে দুষ্কৃতীদের নিশানায় পড়ল ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্স। বিভিন্ন জায়গায় ব্যালট বক্স ভেঙে ফেলা হল। কোথাও ধরিয়ে দেওয়া হল আগুন, তো কোথাও আবার ঢেলে দেওয়া হল জল। কোথাও তো ব্যালট বক্স পুকুরেও ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একইভাবে ব্যালট পেপারও অনেক জায়গায় ছিঁড়ে ফেলা হয়। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। কোনও কোনও জায়গায় পুকুরের জলে ব্যালট পেপার ভাসতে দেখা যায়। এছাড়া ছাপ্পা ভোট এবং ব্যালক বক্স লুঠ করার চেষ্টার অভিযোগ তো রয়েইছে। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে ব্যালটকে আলাদা করে টার্গেট করে দুষ্কৃতীরা। আর সেই কারণেই হয়ত গণনার সময় যে কোনওরকম কারচুপি রুখতে এই বিজ্ঞপ্তি নির্বাচন কমিশনের। ইতিমধ্যেই এই বিজ্ঞপ্তি সমস্ত জেলা শাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *