জানা গিয়েছে, এই অবরোধে জেরে ব্যাহত শিয়ালদা-কৃষ্ণনগর শাখার ট্রেন চলাচল। স্টেশনে স্টেশনে থমকে পড়ে একের পর এক ট্রেন। অফিস যাওয়ার সময় ট্রেন অবরোধে চরম ভোগান্তি অফিস যাত্রীদের। স্কুল-কলেজে পৌঁছতে সমস্যায় পড়ুয়ারা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রেল কর্তৃপক্ষের তরফে রেল পুলিশ গিয়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাদের বুঝিয়ে রেললাইনের উপর অবস্থান বিক্ষোভ থেকে সরিয়ে আনার জন্য কথা চলছে।
অবরোধ এখনও চলছে,আপ ডাউন দুই দিকের ট্রেন চলাচল স্তব্দ। প্রায় ১ ঘণ্টার উপর সপ্তাহের প্রথম দিন এই রেল অবরোধের হেরে হয়রানির শিকার নিত্য যাত্রীরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, যতক্ষণ না রেল কর্তৃপক্ষ ফুট ওভারব্রিজ নতুন করে তৈরি করা নিয়ে সুনিশ্চিত কোন সময় না দেবে, তারা ততদিন আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চ ব্যারাকপুর শাখার। নাগরিকের প্রয়োজনেই তাদের এই আন্দোলন।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে আমফান ঝড়ে ব্যারাকপুর রেলস্টেশনের মাঝখানে থাকা ফুট ওভারব্রিজটি ক্ষতি হয়।তারপর রেলের তরফ থেকে গোট ফুট ওভারব্রিজটি নতুন করে বানানোর কথা বলে ভেঙে দেওয়া হয়।তারপর দীর্ঘ ৩ বছর কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তা কার্যকরী হয়নি।যার ফলে হয়রানি শিকার প্রতিনিয়ত নিত্যযাত্রীরা।১৭ জুলাই অর্থাৎ আজ নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের তরফ থেকে ফুট ওভারব্রিজের দাবিতে রেল রোকোর ডাক দেওয়া হয়। সেইমত নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চ ব্যারাকপুর শাখার তরফ থেকে ব্যারাকপুর স্টেশন চত্ত্বরে সকাল ৮ থেকে জমায়েত করে,স্টেশন চত্বরে একটি মিছিল করে এবং তাদের বক্তব্য রাখে।
তারপরেই তাদের পূর্বপরিকল্পিত ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ নম্বর গেটে অবরোধ শুরু করলে।রেলের তরফ থেকে জি আর পি গিয়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। আন্দোলকারীদের একাংশ ব্যারাকপুর স্টেশম ম্যানেজার কে এল বিশ্বাসের ঘরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং স্টেশন ম্যানেজারকে তাদের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়।বর্তমানে স্টেশন ম্যানেজার সহ জিআরপি-দের সাথে বৈঠকে বসেন নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের প্রতিনিধিরা।এই বৈঠকে কোন সদুত্তর না পেলে তারা ফের রেল রোকো ও আন্দোলনের পথ বেছে নেবে বলে জানায়।
