বুধবার নাকা চেকিং করার সময় প্রায় ৪৪ লাখ টাকা উদ্ধার করল চণ্ডীতলা থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশ সুপার আমন দীপ বলেন, অভিযুক্তরা এত পরিমাণ নগদ টাকা কোথা থেকে পেল? তা কোথায় নিয়ে যাওয়া যাচ্ছিল, তার সঠিক তথ্য না দেওয়ায় তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল চণ্ডীতলার ভগবতীপুর পোলধার এলাকায় নাকা চেকিং করার সময় একটি মোটর বাইক করে দুই ব্যক্তি যাওয়ার সময় তাদেরকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তাদের কথার অসঙ্গতিতে গাড়ি তল্লাশি করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে নগদ ৪৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। তখনই সন্দেহভাজন দু’জনকে মোটরবাইক সমেত আটক করে চণ্ডীতলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, টাকার সঠিক উৎস অভিযুক্তরা জানাতে পারেনি। এতগুলো টাকা নগদে তারা কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তারও কোনও সঠিক তথ্য তারা দিতে পারেনি। তাই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আজকে তাদের শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয়।
বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে নাকা চেকিং চালায় পুলিশ। হুগলি জেলতে একাধিক জায়গায় নাকা চেকিং করে স্থানীয় থানা। বেআইনি পাচার, আর্থিক লেনদেন রুখতে সতর্ক জেলা প্রশাসন। বুধবার এরকম নাকা চেকিং চালানোর সময়ই ধরা পড়ে এই দুই ব্যক্তি। তবে তাদের সঙ্গে অন্য কোনও পাচার চক্রের যোগ আছে কিনা সে ব্যাপারেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত মার্চ মাসে জলপাইগুড়ি জেলাতেও নাকা চেকিংয়ের সময় প্রচুর নগদ অর্থ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রায় ২০ লাখ টাকা নগদ উদ্ধার হয়। নগদ অর্থের হিসাব দিতে না পারায় পাঁচজন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, রাজগঞ্জ থানার অন্তর্গত হাতি মোড় এলাকায় নাকা তল্লাশি চালানোর সময়েই এই টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল।
