এদিকে এতদিন পরে কেন শুভেন্দু অধিকারীর সারদা সংক্রান্ত তথ্য জমা দেওয়ার কথা মনে হল, ‘সেই প্রশ্ন তুলে পালটা আক্রমণে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এদিন তারও জবাব দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমার সুবিধা ভোগীদের গ্রেফতার চাই। ১০ বছর ধরে কাজ হয়নি বলে লিখেছি। ওরা যদি জেলের ভিতর থেকে বিমান বসু, অধীর চৌধুরী, শুভেন্দু অধিকারীর নাম লেখাতে পারে, তাহলে আমি কেন পারি না?’
এদিন তৃণমল কমগ্রেসের ২১শে জুলাইয়ের সভাকেও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘শহিদ সভা এখন নাচগানের মঞ্চ হয়ে গেছে। পাগলু ড্যান্সের মঞ্চ হয়ে গেছে।’ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে অস্ত্র ও মাদক-সহ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করতেও দেখা যায় তাঁকে।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছরের মতো এবারেও ২১ জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের আয়োজন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে শহিদ সমাবেশে এসে উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের নেতা কর্মী সর্থকেরা। এখনও বহু কর্মী সমর্থক পথে রয়েছেন। গতকাল থেকেই শহরে আসতে শুরু করেছেন তাঁরা। যার জেরে ট্রেনে বাসে ব্যাপক পরিমান ভিড় দেখা যায়। সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু অভিযোগ ওঠার পরেও রাজ্যে বিপুলভাবে জয় পেয়েছে তৃণমূল। আগামী বছরই দেশে লোকসভা নির্বাচন। কেন্দ্রের মোদী সরকারাকে হঠাতে ইতিমধ্যেই একছাতার তলায় আসার চেষ্টা করছেন বিরোধীরা। আর সেই জোটেরর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রে দেখার এবারের ২১শের মঞ্চ থেকে ঠিক কী বার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী।
