যদিও ওই করিডোর দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন ডাক্তার – নার্স সহ হাসপাতালের কর্মীরা। তাঁরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি বলেই অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীকালে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা পৌঁছতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হুঁশ ফেরে। তড়িঘড়ি সেই মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে উপস্থিত রোগীর আত্মীয় পরিজনদের একাংশের বক্তব্য, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। পরে মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যদিও এই বিষয়ে রায়গঞ্জ গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারা এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও এক রোগীর আত্মীয় বাপ্পা সরকার বলেন, ‘আমরা আজ সকাল থেকেই ওই মহিলার মৃতদেহ এখানে দেখতে পেয়েছি। এই বিষয়ে কেউ কেউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, হাসপাতালের স্টাফদের জানিয়েছিলেনও। কিন্তু কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি তাঁদের তরফ থেকে।
ওই মহিলা ভবঘুরে ও এই হাসপাতালের আশেপাশেই ঘুরে বেড়াতেন বলে এখানকার মানুষদের কাছে শুনতে পেলাম। পরে একসময় দেখলাম হাসপাতালের লোক এসে মৃতদেহ তুলে নিয়ে গেল’। তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা করাতে আসেন, সুস্থ হতে আসেন।
কিন্তু সবার চোখের সামনে এরকম একটি মৃতদেহ পড়ে থাকলে সুস্থর থেকে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বেন। আর এই ঘটনা পরিবেশের পক্ষেও খারাপ। একথা হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের আরও আগে বোঝা উচিৎ ছিল’। উল্লেখ্য, এই বছরই ১৫ই মার্চ এক ভবঘুরে মহিলার হাসপাতালের আস্তাকুড়েতে পড়ে থাকার ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল হাসপাতাল চত্বরে।
পরবর্তী সময়ে তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও কিন্তু তারপর থেকে তিনি কোথায় আছেন কেউই কিছু বলতে পারছেন না। বুধবার যে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়েছে সেটি সেই ভবঘুরে মহিলারই কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
