জলপথ পরিবহণে জোর, হুগলিতে অত্যাধুনিক আরও ৫৮ জেটি ঘাট


জলপথে আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থেকে হুগলি জেলার ত্রিবেণী পর্যন্ত রাজ্যে হতে চলেছে আরও ৫৮টি জেটি। রাজ্যের পরিবহণ দফতরের বৈঠকে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। জলপথে পরিবহণ ব্যবস্থায় জোর দিতেই এই পরিকল্পনা বলে জানানো হয়েছে।

Kolkata Police : কোন ঘটনার তদন্তে তৈরি হয়েছিল গোয়েন্দা বিভাগ? প্রকাশ্যে কলকাতা পুলিশের &amp#39;অজানা&amp#39; ইতিহাস
আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে এই জেটি ঘাটগুলি নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৯টি জেটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বছরেই বাকি জেটিগুলির কাজ শুরু হয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাকি জেটি নির্মাণের কাজও শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছে পরিবহণ দফতর।

Kolkata Bus Service : সন্ধের পরে সাবধান! বাস না পেয়ে দুর্ভোগ
রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, গোটা প্রকল্পের জন্য খরচ হচ্ছে মোট ১১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় প্রকল্পে খরচ হবে ৭০ শতাংশ এবং বাকি ৩০ শতাংশ টাকার যোগান দেবে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের পরিবহণ দফতরের মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে এই কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে।

Kolkata Municipal Corporation : হকারে রাশে এ বার সব পুরসভার মনিটরিং সেল
গোটা প্রকল্পটি নিয়ে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা প্রকল্পটি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যত দ্রুত এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা যায়, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেটি ঘাটগুলিতে আনা হচ্ছে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা। ঘাটগুলিতে অত্যাধুনিক স্মার্ট গেট সিস্টেম বসানো হবে। এছাড়াও জেটি ঘাটগুলিতে ক্যাফেটেরিয়া বসানোর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান হয়েছে।

Buddhadeb Bhattacharya Video : লালপতাকায় পাল তুলে পাড়ি দিয়েছিলেন! কে এই রবি দাস?

জানা গিয়েছে, জলপথে পরিবহণের জন্য অত্যাধুনিক ভেসেল ভাসানো হবে জলে। সেই ভেসেল ২০০ যাত্রীর পরিবহণ করার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও পণ্য পরিবহণে গঙ্গা পারাপারে রো রো সার্কিট তৈরি করা হচ্ছে।
বার্জের মতো এই রো রো সার্কিট বসানো হচ্ছে। এই রো গুলির মাধ্যমে পণ্যবাহী লরি পারাপার করবে অতি সহজে। একটি রো সেতু তৈরির বরানগরে প্রয়োজনীয় জমিও পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।
পাশাপাশি, জেটি ঘাট নির্মাণের পাশাপাশি নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলিও সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে কর্ম সংস্থানের আরও কিছু দিক খুলে যাবে বলেও মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পুরো প্রকল্পের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা হচ্ছে। কাজ যত দ্রুত শেষ করা যায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *