ট্রাফিক কন্ট্রোল কই? বেহালার ঘটনায় আতঙ্কে বর্ধমানে একাধিক স্কুলের অভিভাবকরা


বেহালার স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা রাজ্যকে। রাজ্যের একাধিক জেলায় বড় রাস্তার ধারেই রয়েছে ছোট ছোট বাচ্চাদের স্কুল। এরকমই রাস্তার ধারে একাধিক স্কুল রয়েছে বর্ধমান জেলার কালনায়। বেহালার ঘটনার পর থেকেই ঘুম ছুটেছে অভিভাবক থেকে শুরু করে শিক্ষকদের। রাস্তায় ট্রাফিক বসানোর আর্জি প্রত্যেকেরই।

Bardhaman News : স্কুল চত্বরে সাপের আতঙ্ক! ভয়ে পরীক্ষা বন্ধ কালনার স্কুলে
কলকাতার বেহালায় স্কুলে যাবার পথে লরির ধাক্কায় মৃত্যু হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র সৌরনীলের। এই ঘটনার পর থেকে কালনা সপ্তগ্রাম ত্রিবেণী কালনা কাটোয়া রোড সংলগ্ন স্কুলগুলির শিক্ষক কর্তৃপক্ষের আতঙ্ক আরও দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। আতঙ্ক শুধু স্কুল কর্তৃপক্ষেরই নয়। ভয়ে ভয়ে রয়েছেন ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে তাঁদের অভিভাবকরাও।

TMC MP : টোলকর্মীকে গলাধাক্কা সাংসদের, কড়া প্রতিক্রিয়া তৃণমূল নেতৃত্বের
কালনার ব্যস্ততম রাস্তা হল এসটিকেকে রোড। এই রোডের উপর বেশ কয়েকটি স্কুল আছে। যেমন কৃষ্ণদেবপুর গার্লস স্কুল, কৃষ্ণদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণদেবপুর প্রাথমিক স্কুল। প্রতিদিন এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়ার পথে ব্যাস্ততম রাস্তা পার হতে হয়। রাস্তা পার হতে গেলে বেশ কিছুক্ষণ সময় তাদের নষ্ট হয়।

Bardhaman News : হাইকোর্টের নির্দেশে বর্ধমান শহরের ভিতরে আর ঢুকবে না বাস! ভোগান্তির আশঙ্কায় নিত্যযাত্রীরা
একমাত্র রাস্তা পার হবার জন্যই বেশিরভাগ পড়ুয়াকে স্কুলগুলিতে ঠিক সময়ে পৌঁছতে পারে না। একদিকে দিল্লি রোড ও এই এসটিকেকে রাজ্য সড়কের অবস্থান খুব কাছাকাছি। পণ্য সামগ্রী ভর্তি যানবাহন, বড় বড় লরি, দ্রুত বেগে বাইক ২৪ ঘন্টা এই স্কুলের সামনে দিয়ে যাতায়াত করে। স্কুলের সময় দ্রুতগতিতে ছুটে চলে বাস ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন।

DVC Water : জল ছাড়ছে ডিভিসি! ঘরের ভেতর সাপ! ঘুম ছুটেছে রাতে!

কৃষ্ণদেবপুর গার্লস স্কুলের শিক্ষিকা মমতা দাসমুন্সী বলেন, ‘এখানে মেয়েদের একটাই স্কুল থাকায় সবাই আমাদের স্কুলেই পড়ে। রাস্তায় সিভিল পুলিশ, গার্ডওয়ালের কোনও ব্যবস্থা নেই। প্রশাসনের এটা দেখা উচিত।’ একাধিক স্কুল কর্তৃপক্ষদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, প্রায়শই বড় বড় দুর্ঘটনা এই পথের মধ্যে ঘটেছে বা ঘটে।
স্কুলের সময় এবং স্কুল ছুটির সময় স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেন কোনও ট্রাফিক ব্যবস্থা এই স্কুলগুলির সামনে থাকে না। বাধ্য হয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রাস্তা পার করতে হয়l স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুরোধ প্রশাসনের কাছে স্কুলগুলির সামনে অন্তত ছুটির সময় এবং স্কুল শুরু হওয়ার সময় যদি কোন ট্রাফিক কন্ট্রোল করার ব্যবস্থা করা হয়। তাহলে হয়তো এই ছোট্ট ছোট্ট ফুলের মতো নিষ্পাপ প্রাণগুলো বেঁচে যাবে। কোনও বাবা মায়ের কোল খালি হবার সম্ভাবনা থাকবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *