এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনগুলির শীর্ষ নেতৃত্ব। এদিনের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বড় কোনও সিদ্ধান্ত কি উঠে আসতে পারে? সেই দিকেই তাকিয়ে অভিজ্ঞ মহল।
উল্লেখ্য, ধর্মতলায় ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ চলছে। অন্যদিকে, ধর্মতলা থেকে প্রতিদিন একাধিক দূরপাল্লা বাস ছাড়ে। শহরের মধ্যস্থলে বাস স্ট্যান্ড থাকার দরুন যানজটের সমস্যায় হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশের বিষয়টিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। এই মামলার প্রেক্ষিতেই বায়ুদূষণের কথা মাথায় রেখে এসপ্ল্যানেড থেকে বাস টার্মিনাসকে অন্যত্র সরানোর নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
এদিকে ধর্মতলায় মূল বাস স্ট্যান্ড রাখার জন্য রাইটসকে দিয়ে সমীক্ষা করাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য। শুনানিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতো সৌধকে রক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। সেই জন্য বিষয়টি নিয়ে স্বল্প এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা করার জন্য সবপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
এদিকে ধর্মতলা থেকে বাস টার্মিনাস সরিয়ে সাঁতরাগাছিতে নিয়ে যাওয়ার কথা হচ্ছিল প্রাথমিকভাবে। এমনকী, সেখানে রাজ্য সরকার একটি ট্রান্সপোর্ট হাব করার জন্যও পরিকল্পনা করছে। কিন্তু, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি নন রাজ্য বাস মালিকদের একাংশ। ধর্মতলা থেকে বাস টার্মিনাস সরানো হলে ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে মতামত তাঁদের। এদিকে মাথায় রাখতে হবে আদালতের নির্দেশের বিষয়টিও।
সেই দিক থেকে দেখতে গেলে এদিনের বৈঠক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাস মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং পরিবহণ দফতরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এদিনের বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বিকল্প কোনও স্থান নিয়েও এদিন আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসেই এই বাস টার্মিনাস নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় নবান্নে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার, সেনার প্রতিনিধিরা, মেট্রো রেল, কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরনগরোন্নয়ন দফতর, রাইটের প্রতিনিধিরা।
