স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও এতটাই বিধ্বংসী ছিল সেই আগুন যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিল না কোনওভাবেই। অবশেষে দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় দমকলকর্মীরা এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আর তা করতেও রীতিমতো বেগ পেতে হয় কর্মীদের। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও দু’বার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল এই কেমিক্যাল কারখানায়।
স্থানীয় এলাকার মানুষজন এই ফিনাইল কারখানা বন্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষকেও একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তাতে কোনোভাবেই সাড়া মেলেনি। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে ফিনাইল কেমিক্যালের কারখানা তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছিল বারংবার।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত গোটা এলাকার মানুষজন। যদিও কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিভাবে আগুন লাগল সে বিষয়েও তদন্ত করছে দমকল ও স্থানীয় থানার পুলিশ। আগামী দিনে আবারও বড় যে কোনও দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই স্থানীয় মানুষজন চাইছেন অবিলম্বে প্রশাসন পদক্ষেপ গ্রহণ করুক এই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ফিনাইল কেমিক্যাল তৈরির কারখানার বিরুদ্ধে।
সূত্রের খবর দত্তপুকুর পালপাড়া মৃৎ শিল্পীর জন্য বিখ্যাত এবং এই এলাকা ঘনবসতি। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা অনেকদিন থেকেই প্রশাসনকে জানাচ্ছি যাতে এই কারখানা এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। কারণ এর আগে দুবার এখানে আগুন লেগেছিল।
সেটাতে বড় কোনও ক্ষতি না হলেও আজ যে আগুন লেগেছে, সেটা অনেক ভয়ঙ্কর। আর তাতে আমাদের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে’। স্থানীয় বাসিন্দা এক মহিলা বলেন, ‘প্রশাসনকে জানানোর পাশাপাশি যখনই আমরা এই কারখানার কর্তৃপক্ষকে সামনে পেয়েছি, তখনই আমাদের সুবিধে অসুবিধের কথাগুলি জানানোর চেষ্টা করেছি।
কিন্তু কেউই আমাদের কোনও কথাতে গুরুত্ব দেননি। যার ফলে আজকে এই ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে আমাদের’। এরপরেও কোনওদিন যে এই কারখানায় ফের আগুন লাগবে না, এর নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কেউই।
