Jadavpur University Student Death : ‘১ বছর ধরে যা ভোগ করতে হয়েছে…’, স্বপ্নদীপ রহস্যমৃত্যুতে ধৃত পড়ুয়ার মায়ের মুখে র‌্যাগিং-তত্ত্ব? – jadavpur university student death arrested dipsekhar duttar family says they want main culprit should be punished


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন। রবিবার এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় বাঁকুড়ার বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোনমিক্স দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া দীপশেখর দত্তকে। বাঁকুড়া শহরের মাচানতলা, ফেমাস গলির বাসিন্দা বছর উনিশের ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

রবিবার গ্রেফতারির খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ওই ছাত্রের বাবা মধুসূদন দত্ত। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যে এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের ছেলে যুক্ত। তবে দীপশেখেরের বাবার এও দাবি, এই ঘটনায় প্রকৃত দোষীরা যাতে শাস্তি পায়। এমনকী তাঁর ছেলেও যদিও দোষী হন, তাঁকেও যেন রেয়াত না করা হয়।

Jadavpur University News : যাদবপুরের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার আরও ২
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধৃত ছাত্রের বাবা মধুসূদন দত্ত বলেন, ‘আজ সকালেই জানতে পারলাম ছেলেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেই শুনলাম। এখনও অবধি থানা থেকে ফোন করা হয়নি। এখনও এর বেশি এখনও কিছু জানি না। আমরা ছেলে কোনওভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে না বলেই আমার বিশ্বাস। গতকাল রাতেই ছেলের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। এক বছর ধরে আমার ছেলে যাদবপুরে পড়াশোনা করছে।’

Jadavpur University News : ‘১০০% গ্যারান্টি….,ফাঁসানো হয়েছে’! স্বপ্নদীপের বাবাকে দুষলেন সৌরভের মা
তিনি আরও বলেন, ‘তবে একজন বাবা হিসেবে প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পাক এটাই আমি চাই। আমি একজন সন্তানের বাবা। সেক্ষেত্রে আমার ছেলে যদি যুক্ত থাকে তবে সেও যেন বাদ না যায়। তবে আমি মনে করি, আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার ছেলে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত না। আমার ছেলেও জানিয়েছে সে কোনওভাবেই জড়িত নয়। তদন্তের স্বার্থেই হয়তো পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।’

JU Ragging Case : ‘বাম হায়নাদের সর্বোচ্চ সাজা চাই’! স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে তীব্র আক্রমণ তৃণমূলের, ফেসবুকের ডিপি বদল দেবাংশুর
অন্যদিকে ধৃত দীপশেখরের মা সঙ্গীতা দত্ত এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই মাত্র খবর পেলাম আমরা ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে বিশ্বাস করি না। স্কুল জীবন থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ওঁর অভ্যেস। আমরা না করা সত্ত্বেও কথা শুনত না। হয়তো কোনও সাহায্য করতে গিয়েই ওঁকে গ্রেফতার হতে হল। আমার ছেলেকে ওখানে একবছর ধরে যা ভোগ করতে হয়েছে! আমি দুশ্চিন্তা করব বলে আমাকে বলত না। পরিবারের সদস্যদের থেকে জানার পর আমি তো ভেবেছিলাম ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে চলে আসব। কিন্তু ছেলে বাড়ি ফিরতে রাজি হয়নি। ও স্বপ্নদীপের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিল। যাঁরা এই ঘটনায় মূল দোষী তাঁরা শাস্তি পাক এটাই আমি চাই।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *