সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার শুভেন্দুকে নোটিশ পাঠালো পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে অভিযোগকারী শুভেন্দু অধিকারীকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে নোটিশ পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতেই বিরোধী দলনেতাকে ডেকে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনায় ABVP কর্মীদের একটি প্রতিবাদ সভায় যোগ দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেখানেই ABVP কর্মীদের সঙ্গে আরেকটি ছাত্র সংগঠনের বিরোধ বাধে। শুরু হয় হাতাহাতিও। এই সময়েই শুভেন্দু অধিকারীর উপর কয়েকজন ছাত্র চড়াও হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে শুরু হয় তুমুল হই হট্টগোল। শুভেন্দু অধিকারীকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয় বলেও অভিযোগ। অতি বামপন্থী দলের সদস্যরা তাঁর উপর আক্রমণ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তে অনেকটাই এগিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় র্যাগিং হয়েছে বলে মামলা রুজু করতে চলেছে পুলিশ। ঘটনায় ইতিমধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পড়ুয়া এবং প্রাক্তনী মিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সরকারি আইনজীবী আদালতে ২০০০ সালে প্রবর্তিত পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান র্যাগিং নিষিদ্ধ আইনের ৪ নম্বর ধারা প্রয়োগ করার জন্য আবেদন জানান।
মঙ্গলবার যাদবপুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে ধৃত প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী, যাদবপুরের পড়ুয়া মনোতোষ ঘোষ ও দীপশেখর দত্তকে আলিপুর আদালতে হাজির করানো হয়। তাদের পুনরায় পুলিশি হেফাজতের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। বাকি ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘেঁটে দেখা হচ্ছে এই ঘটনার পিছনে আসল কী রহস্য লুকিয়ে আছে সেগুলি।
