Jadavpur University Ragging Case : তিনি তখন কাশ্মীরে, এদিকে রেজিস্টারে সই! যাদবপুর হস্টেলে ‘ভুতুড়ে’ আলুর আনোগোনা – jadavpur university engineering student aritra majumder aka alu summoned by university investigation committee


যাদবপুরকাণ্ডের পর একটি ভাইরাল স্ক্রিনশট থেকে নামে উঠে আসে অরিত্র মজুমজার ওরফে আলুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র সংসদ FETSU-র প্রভাবশালী ছাত্রনেতা ‘ফেরার’ বলে দাবি করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎই একটি ফেসবুক পোস্টে অরিত্র দাবি করেন, ঘটনার পর বন্ধুদের সঙ্গে ট্রেকিং করতে তিনি কাশ্মীর গিয়েছিলেন। সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে তাঁর উপর ওঠা যাবতীয় অভিযোগের জবাবও দিতে পারেননি ‘আলু’। একই সঙ্গে নিজের বয়ানের স্বপক্ষে ট্রেন ও বিমানের টিকিট শেয়ার করেন।

Jadavpur Ragging : ‘আলু’ এখন কোথায়! প্রশ্ন উঠছে ক্যাম্পাসেও
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিএসএফ ছাত্রনেতার এই ফেসবুক পোস্ট ঘিরেই এবার বিতর্ক। যাদবপুরের DSF বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠনগুলির দাবি, অরিত্র যে বিমান পরিবহণ সংস্থার টিকিটের ছবি ফেসবুকে দিয়েছেন, গোফার্স্ট নামের সেই সংস্থা সাময়িকভাবে বিমান পরিষেবা বন্ধ রেখেছে। বিমান সংস্থার তরফেই টুইট করে পরিষেবা বন্ধের কথা জানানো হয়েছিল। এমনকী সংস্থাটি এক সময় নিজেদের দেউলিয়া বলেও ঘোষণা করে। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নে উঠছে, যে সংস্থার পরিষেবা বন্ধ তার বিমানে চেপে কী ভাবে কাশ্মীর পৌঁছলেন অরিত্র?

এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতেই আরও একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দাপুটে ছাত্র নেতা। সেই পোস্টের পূর্বের বিমান সংস্থার বিমান বাতিল হওয়ার তথ্য, নয়া বিমান সংস্থার টিকিট ও জম্মু-কাশ্মীর সরকারের তরফে ইস্যু হওয়া ট্রেকিংয়ের অনুমতিপত্রের ছবি রয়েছে। ছবি দিয়ে অরিত্র লেখেন, ‘এত ডিটেইলে কথা হবে ভাবি নি।’ অরিত্রর জোড়া ফেসবুক পোস্টের অসঙ্গতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

Jadavpur University Ragging Case : কোথায় ‘আলু’? যাদবপুরের FETSU নেতার বাড়িতে লুকিয়ে ‘রহস্য’!
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, র‌্যাগিংয়ের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবারই ‘আলু’-কে তলব করেছিল তদন্তকারী কমিটি। কিন্তু শহরের বাইরে থাকায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। বুধবার তাঁকে ফের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে। SFI, AISA বা AIDSO-র মতো DSF বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলি অরিত্রর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে। তাঁদের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার দু’দিন পর অর্থাৎ ১১ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারের অরিত্রর সই রয়েছে। ফেসবুক পোস্টের দাবি অনুযায়ী সেই সময় অরিত্র শহরের বাইরে ছিলেন। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে যে কলেজে রেজিস্টারে সই করল কে?

Jadavpur University News : ‘জোর করে নাম জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে…’, ফেসবুক পোস্ট যাদবপুরকাণ্ডে ‘অভিযুক্ত’ বহুচর্চিত সৈকতের
যদিও তিনি নির্দোষ বলে দাবি করেছে অরিত্র। একই সঙ্গে যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই বলেই জানিয়েছেন আলু। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে কথা বলার সময় তুলে বলেন, ‘তদন্তের মুখোমুখি হতে রাজি। আমি যেটুকু জানি, সেই টুকু বলব। আমি যা বলার ফেসবুক পোস্টেই বলেছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *