Pragyan Rover Update : মাত্র ৩ হাজার টাকায় তৈরি ‘প্রজ্ঞান’! গুটি গুটি পায়ে চলছে দুর্গাপুরের রাস্তায় – chandrayaan 3 pragyan rover replica made by a young boy at durgapur


চাঁদের বুকে সাফল্যের সঙ্গে অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। আর তারপর বিক্রম থেকে বেরিয়ে নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছে রোভার প্রজ্ঞান। ইতিমধ্যেই চাঁদ থেকে তথ্য পাঠাতেও শুরু করেছে সেই যন্ত্র। এরই মাঝে অভিনব ঘটনা পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে। কারণ এবার দুর্গাপুরের মাটিতেও দেখা গেল প্রজ্ঞানকে।

বিষয়টা ঠিক বুঝলেন না তো? তাহলে একটু খোলসা করেই বলা যাক। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যে রোভার প্রজ্ঞানের রেপ্লিকা বানিয়ে ফেললেন দুর্গাপুরের গোপাল মাঠ এলাকার বাসিন্দা ছোটন মনু ঘোষ ওরফে মনু। শুক্রবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবার এই রোভার প্রজ্ঞান রেপ্লিকার যাত্রা শুরু হয়, যা দেখতে ভিড় জমিয়েছিল সাধারণ মানুষ।

Chandrayaan 3 Update Today : চাঁদে চাররাত কাটিয়ে কেমন আছে প্রজ্ঞান? হাড়কাঁপুনি ঠান্ডায় আজ তার কী কাজ?
এই বিষয়ে মনু বলেন, ‘আমরা কিছুদিন আগে চন্দ্রযান ৩ আকাশে উড়িয়েছিলাম। আকাশে প্রায় ৪০ ফুট মতো উড়েছিল সেই চন্দ্রযান। এবার বানিয়েছি চন্দ্রযান রোবো, দুর্গাপুরের মাটিতে এই চন্দ্রযান রোবো চলছে। চন্দ্রযান রোবো বানাতে ৪টি গিয়ার ইসি মোটর লেগেছে। অ্যাড্রিনো সিস্টেমে লেগেছে। মোবাইলের সঙ্গে অ্যাড্রিনো বোর্ডের কানেকশান রয়েছে। এখানে আছে একটা ১২ ভোল্টের ডিসি ব্যাটারি। পুরোটাতেই সোলার সিস্টেম রয়েছে। একটা নাইট মোড ক্যামেরা রয়েছে। ক্যামেরা দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ হয়। রয়েছে হেডলাইট।’ এই প্রজ্ঞান তৈরি করতে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা মতো খরচ হয়েছে বলেও জানান মনু। আর এর উদ্দেশ্য শুধুই বিনোদন।

এই প্রথম নয়, এর আগেও বিভিন্ন ধরণের বৈজ্ঞানিক মডেল তৈরি করেছেন মনু ও তাঁর সহযোগীরা। এমনকী চন্দ্রযান ৩-এর উৎক্ষেপণের পরে তারও রেপ্লিকা তৈরি করেছিলেন তাঁরা। আর বাস্তবেই সেই চন্দ্রযান উড়েছিল আকাশের বুকে, যা দেখে রীতিমতো হতবাক হয়ে যান দুর্গাপুরবাসী। মনুর এই মডেলগুলির কথা ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে। ফলে শুধু দুর্গাপুরবাসীরাই নন, আশেপাশের এলাকা থেকেও মানুষ সেগুলি দেখতে যাচ্ছেন। আর মানুষের এই প্রশংসা উৎসাহ বাড়াচ্ছে মনুদের।

Rover Pragyan : চাঁদের মাটিতে তেরঙ্গা ঝাণ্ডা পুঁতবে রোভার! এঁকে দেবে অশোক স্তম্ভ, কী ভাবে?
এদিকে চাঁদের নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রজ্ঞাব। ইসরো জানাচ্ছে, সফট ল্যান্ডি এবং রোভার প্রজ্ঞানকে চাঁদের হাঁটানোর মতো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ মিশন অবজেকটিভ ইতিমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তবে কাজ এখানেই শেষ নয়। এখন বাকি রয়েছে চাঁদের রহস্য অনুসন্ধান। আর সেই কাজটাই আগামী দিনগুলিতে করবে প্রজ্ঞান। তাই এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ইসরো। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন প্রজ্ঞানের পাঠানো তথ্য থেকে চাঁদ সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্যই পাওয়া যাবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *