Trinamool Congress : টানটান উত্তেজনা, কালনায় পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠন – standing committee of 9 divisions of kalna panchayat samiti was formed amid the conflict between the two factions of trinamoo


এই সময়, কালনা: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের মধ্যে সোমবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে গঠিত হলো কালনা-১ পঞ্চায়েত সমিতির ৯টি বিভাগের স্থায়ী সমিতি। শেষে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছলে কালনা-১ বিডিও অফিস চত্বরে চলে পুলিশের মৃদু লাঠিচার্জও। কালনা-১ পঞ্চায়েত সমিতির অর্ন্তগত ৯টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ৬টি পঞ্চায়েত পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অর্ন্তগত। বাকি হাটকালনা, কৃষ্ণদেবপুর ও বাঘনাপাড়া পঞ্চায়েত কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের অর্ন্তগত। এই দুই বিধানসভার তৃণমূলের পৃথক দুই গোষ্ঠীর মধ্যেই গন্ডগোল।

Trinamool Congress : ভোট মিটলেও চলছে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, সাংসদকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ কালনায়
এদিন পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং হলে ৯টি বিভাগের স্থায়ী সমিতি গঠন ছিল। তাতে পঞ্চায়েত সমিতির ২৭ জন সদস্য, ৯টি পঞ্চায়েতের প্রধান, জেলা পরিষদের ৩ সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। এদিন প্রথমে জনস্বাস্থ্য, পূর্ত, পরিবহণ, কৃষি, শিক্ষার স্থায়ী সমিতি নির্বিঘ্নে গঠন হয়ে গেলেও সমস্যার শুরু শিশু ও নারীকল্যাণ বিভাগের স্থায়ী সমিতি গঠনের সময়। ভোটাভুটির পরিস্থিতি তৈরি হলে জেলা পরিষদের সদস্য আরতি হালদার-সহ বেশ কয়েকজন সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান।

WB Panchayat Board : মালদার হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতি দখল BJP-র, পরাজিত তৃণমূল
পরে কোলাপসিবল গেট বন্ধ করে দিয়ে গেটের সামনে ধরনায় বসে একপক্ষ। একবার সাংসদ সুনীল মণ্ডল গেট খুলে বাইরে বেরতে গেলে ক্ষোভের মুখে পড়ে তিনি ভেতরে ঢুকে যান। এ ভাবে দিনভর উত্তেজনা চলে বিডিও অফিস চত্বরে। বিকেলে কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ পৌঁছে একবার ভিতরে ঢোকার পর কয়েকজনের সঙ্গে বেরিয়ে আসেন। এর পর বিডিও অফিসের সামনে টিএমসিপি-র প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা ফেরত দু’টি বাস থেকে টিএমসিপি-র নেতাকর্মীরা নেমে আসার পর উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় দু’পক্ষের মধ্যে। তখনই পুলিশকে মৃদু লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।

Trinamool Congress : খুনের অভিযোগ! CID-র জালে ‘বহিষ্কৃত’ তৃণমূল নেতা, কেশিয়াড়িতে শোরগোল
এদিন ধরনায় বসা জেলা পরিষদের সদস্য তথা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ সভানেত্রী আরতি হালদার বলেন, ‘প্রতি বছরই কালনা বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ৩টি অঞ্চল ৩টি কর্মাধ্যক্ষ পায়। পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ৬টা পঞ্চায়েত। তাই এ ভাবেই আপোষে চলা হয়। কিন্তু এবার ওরা সব। স্থায়ী সমিতির প্রস্তাবকও ওরা, সমর্থকও ওরা। আমরা এই বোর্ড মানি না।’ ওদিকে, কালনা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্রাবণী পালের বক্তব্য, ‘কোনও সমস্যা হয়নি। সবকিছু শান্তিপূর্ণ ভাবে মিটেছে। কারও অভিযোগ-বিক্ষোভ নিয়ে কিছু বলার নেই।’ সাংসদ সুনীল মণ্ডল বলেন, ‘আমাকে কোনও ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়নি। সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *