Duttapukur Blast : বাজির মজুত ভাণ্ডারের হদিশ পেতে ড্রোন উড়িয়ে বাজির খোঁজ দত্তপুকুরে – 5 days after the explosion in duttapukur police started surveillance by drone


এই সময়, দত্তপুকুর: বিস্ফোরণের ছ’দিনের মাথায় দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে বাজির মজুত ভাণ্ডারের হদিশ পেতে ড্রোনে নজরদারি শুরু করল পুলিশ। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাতে দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই গ্রেপ্তার করা হয় মহম্মদ নজরুল ইসলামকে। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, নজরুল ছিল বাজির বারুদ সাপ্লায়ার। মোচপোল বিস্ফোরণের পরেই চেন্নাইয়ে পালিয়েছিল। নজরুল ফিরছে খবর পেয়ে পুলিশ বিমানবন্দরে জাল পেতেছিল।

Duttapukur Blast : পলাতক মোহিতই সাম্রাজ্যের বাজিকর, দত্তপুকুরের বাজির ব্যবসার মাস্টারমাইন্ড!
শুক্রবার মোচপোলের সামসুল আলির ভগ্নস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়ি ও চারপাশের এলাকায় ড্রোন ওড়ায় পুলিশ। এক কিলোমিটার দূরের পরিত্যক্ত ইটভাটায় গজিয়ে ওঠা বাজি তৈরির কারখানায় ড্রোনে নজরদারি চলে। এ দিনই বিস্ফোরণস্থলের পাশে দু’টি দোকান এবং পিছনের বাঁশবাগানের বাজি কারখানায় মজুত বাজি নিষ্ক্রিয় করেন দমকলের কর্মীরা। তবে ড্রোন ওড়ানো নিয়ে কটাক্ষ ঝরে পড়েছে স্থানীয়দের গলায়। অনেকেরই বক্তব্য, বাজি মজুত রয়েছে শাটার ফেলা গোডাউন, বন্ধ দোকানে, বাড়িতে। সেখানে ড্রোনে নজরদারি কী করে সম্ভব? খোলা জায়গায় ড্রোন উড়িয়ে আখেরে কাজের কাজ কিছুই হবে না বলে মত স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের।

Duttapukur Blast : ছ’মাস আগেই নালিশ থানায়, এলাকাবাসীর প্রশ্নে ‘মাসোহারা’
দত্তপুকুর থানা এলাকার মোচপোল, বেরুনান পুকুরিয়া, নারায়ণপুর, জালসুখা, ফতেয়াবাদ ঘরে ঘরে বাজি তৈরির খবর এখন সামনে এসেছে। অভিযোগ, এইসব বেআইনি বাজি কারখানায় বারুদ সরবরাহের একচেটিয়া ব্যবসা রয়েছে নীলগঞ্জের আক্রামপুরের বাসিন্দা মহম্মদ নজরুল ইসলামের। বারাসত-ব্যারাকপুর রোডের ধারে আক্রামপুরে নজরুলের মজুত করে রাখা বাজির হদিশ পেয়েছিল পুলিশ। সেখানে তল্লাশিতে ডিমের প্যাকেটের মধ্যে মজুত বিপুল পরিমাণে বাজি বাজেয়াপ্ত হয়। তবে নজরুল ফেরার হয়ে যায়।

Duttapukur Blast : ফের সেই দত্তপুকুর! বিস্ফোরণস্থলের অদূরেই বিপুল শব্দবাজি উদ্ধার
২৯ অগস্ট পাঁচ ট্রাক ভর্তি বাজি ধরা পড়ে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের তল্লাশিতে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। ধৃতদের জেরা করে জানা যায়, মোচপলে বিস্ফোরণের পরেই নজরুল চেন্নাই পালিয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে চেন্নাই থেকে নজরুলের কলকাতায় ফিরতেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দত্তপুকুরে বাজির বারুদের সাপ্লাই চেনের মূল চক্রী মহম্মদ নজরুল ইসলাম বলে জানিয়েছে এসটিএফ। শুক্রবার বারাসত আদালতে তোলা হলে নজরুলকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ধৃতকে জেরা করে এই বাজি ব্যবসায় আর কোন কোন বড় মাথা আছে, তার খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *