বাজি বিস্ফোরণ নিয়ে জবাব
দত্তপুকুরে বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় তার দলের সাংসদ সৌগত রায় এবং অর্জুন সিং যে মন্তব্য করেছে তার সঙ্গে তিনি একমত নন বলে জানান চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। তার মতে দুজনেই বলেছেন, ‘দত্তপুকুরের বাজি বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের নিচু তলার একাংশের ব্যর্থতা ছিল।’ এই বিষয়ে চিরঞ্জিৎ বলেন, ‘ এটা হতেই পারে না। ব্যর্থতা যদি হয় তাহলে সবাইকেই ভাগ নিতে হবে,শুধু নিচু তলার ব্যর্থতা বললে হবে না,ব্যর্থতা আমাদের সবার,যারা খবর দিতে পারলাম না,যারা জানলাম না,দায়িত্ব সবার।এক থেকে ১০০ পর্যন্ত সবার।যে কারণেই হোক না কেন এর দায় সকলকেই ভাগ করে নিতে হবে।শুধুমাত্র একটা গোষ্ঠীকে বলে লাভ নেই।প্রশাসন,সরকার সাধারণ মানুষ সবার দায়।সময়মত খবরটা দিতে পারেনি।পুলিশকে জানিয়ে কোন লাভ হয়নি বলে যে অভিযোগ উঠছে,তাই এই দায়িত্ব সবাইকে নিতে হবে।’
রাজ্যপাল প্রসঙ্গে চিরঞ্জিৎ
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সপ্তমে রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত। সেই প্রসঙ্গে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী রাজ্যপালের উদ্দেশে আক্রমণ শানান, বলেন, ‘বিদেশি সরকারের সঙ্গে কথা না বলে রাজ্যপাল কোনদিনই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, একা একা সিদ্ধান্ত নিতে তো পারেই না। রাজ্যপাল উপরের নির্দেশে এমন করছে। আর গোটাটাকে একটা কন্টোলের আনার চেষ্টা করছে। যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিজেপির কন্টোলে আসে,ওদের পেটুয়া লোকজনকে ঢোকাচ্ছে।কোথা থেকে লিস্ট করিছে,যে ১৬ জন ভাইস চ্যান্সেলর করবে তাদের লিস্ট দিচ্ছে, সেই লিস্ট কে দিচ্ছে কিভাবে দিচ্ছে, কেউ জানতেও পারছে না।একটা গোপন খাতা থেকে বার করছে আর নামগুলো দিয়ে দিচ্ছে।অদ্ভুত ব্যপার,তার মানে কেউ একজন সাপ্লাই করছে, এটা তো স্পষ্ট।’
এখানেই শেষ, নয় তিনি বলেন, ‘বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। তার একটা বড় কারণ ২৪ ভোটটা আসছে। সেই জন্য এ দায়িত্বটা বেশি নিয়ে ফেলেছে। ধনকরকে অতটা নিতে হয়নি।’ গোটা স্ট্রাকচারটা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর মত।
নুসরত জাহানকে তলব
নুসরত জাহান প্রসঙ্গে তিনি বলেন,’একবার তো ডেকেছিল শুনেছিলাম। কেসটা হয়তো কিছুটা এগিয়েছে তাই আবার ডেকেছে। এগুলো ব্যক্তি ভেদে আলাদা ব্যাপার। ১০ হাজার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে এক-দুজন ডাকে। বাদবাকিদের ডাকে না। কিছু নিশ্চয় হয়েছে। তদন্ত হলেই সব বেরিয়ে যাবে। ‘ এমনটাই জানান চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী
