Naihati Boro Ma:’…বড়মা সবার!’ শতবর্ষে কৌশিকী অমাবস্যায় বিশেষ পুজোর আয়োজন নৈহাটিতে – kaushiki amavasya special puja arranged at nahati boro ma temple


ধর্ম হোক যার যার, বড় মা সবার। জাতি,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে নৈহাটির বড় মা কালীকে নিয়ে রয়েছে আলাদা ভক্তি, উন্মাদনা। বড়মার ভক্তরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে জেলা রাজ্য দেশ এমনকি বিদেশেও। এবার তাই কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে হাজার হাজার ভক্তদের সমাগম ঘটল নৈহাটিতে। মার কাছে এই বিশেষ দিনে পুজো দিতে ভক্তদের নজরকাড়া ভিড়।

Kaushiki Amavasya 2023: কৌশিকী অমাবস্যায় আর্বিভূত হন দেবী! ভোগের মাছ প্রসাদ হিসেবে পান ভক্তরা
ভক্তদের মুখেই জানা যায় বড়মার কাছে কিছু চাইলে, কাউকে ফেরায় না বড়মা। তাই জাগ্রত এই মার কাছে দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন মনস্কামনা নিয়ে। ফল পেলে দুহাত ভরে বড়মাকে দান করতেও দেখা যায় বলে জানালেন বড়মার পূজা কমিটির দায়িত্বে থাকা সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য। যদিও এই বড় মা কালী কত বছরের তা নির্দিষ্ট ভাবে জানার আগেও এ বছর আনুমানিকভাবে ১০০ বছর উদযাপন করা হবে বড়মার পুজোর। সেই উপলক্ষে বিশেষ কিছু কর্মসূচিও আগামী দিনে রয়েছে মন্দির কমিটির। তবে এদিন তারাপীঠের পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য মন্দির গুলির মতোই নৈহাটির বড় মা কালীর মন্দিরে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন এসেছিলেন বড়মার কাছে পুজো দিতে।

Dakshineswar Temple: দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পৌঁছনোর স্কাইওয়াকে ফাটল! মেরামতি কবে? উত্তর প্রশাসনের
ছেলের অপারেশনের জন্য মার কাছে মানসিক করেছিলেন চুঁচুড়ার বাসিন্দা এক গৃহবধূ, সুস্থভাবে ছেলের অপারেশন হওয়ায় এদিন পুজো দিলেন তিনি। জানালেন জাগ্রত এই মার কাছে কিছু চাইলে তা ঠিক মেলে তাই বারংবার বড়মার কাছে ছুটে আসেন ভক্তরা। জাগ্রত মার এমন কৃপার কথা শোনালেন অনেক ভক্তই। কৌশিকী অমাবস্যার এদিনের বড়মার কাছে পুজো ঘিরে নৈহাটির ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় প্রশাসনের তরফ থেকে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মন্দির চত্ত্বরেও ছিল কড়া নিরাপত্তা ও সুষ্ঠ পরিষেবা। বন্ধ করে দেওয়া হয় মন্দিরের সামনে দিয়ে এদিনের জন্য কোনরকম টোটো বা যানবাহন চলাচল। ভক্তদের দেখা যায় লাইন দিয়ে মার কাছে পুজো দিতে।

Kaushiki Amavasya Tarapith Puja: ‘ভালো রেখ মা’, কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে মমতা-অভিষেকের মঙ্গলকামনায় পুজো বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের
মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানানো হয় মাকে সামনে রেখে পুরোটাই মানুষের জন্য সামাজিক কাজে নিয়োজিত তারা। মাকে দেওয়া ভক্তদের ফলমূল থেকে শুরু করে যাবতীয় পৌঁছে যায় মানুষের কাছে দুস্থদের কাছে এমন কি হাসপাতালেও ফল বিতরণের মধ্যে দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের মেয়ের বিয়ের ক্ষেত্রে মন্দিরে বিয়ের কার্ড দিয়ে জানালে বিয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হয় বলে জানালেন তাপস বাবু। মাকে দেওয়া ভক্তদের শাড়ি বিভিন্ন মহিলাদের স্কুলেও দেওয়া হয়ে থাকে। সারা বছরই মাকে কেন্দ্র করে সামাজিক কাজকর্ম করে থাকেন এই বড়মা কালী পুজো কমিটি। প্রতিদিন এই মন্দিরে সকালে ও সন্ধ্যায় দুবার করে পুজো হয়। তবে এদিন বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানা যায়। কৌশিকী অমাবস্যাকে ঘিরে এদিন নৈহাটির বড়মার মন্দিরে যেন উৎসবের মেজাজ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *