Migrant Labour Death In Bengal : ‘এখানেই মর, পুঁতে দেব’! ভিনরাজ্যের অসুস্থ মহিলা শ্রমিকের মৃত্যুতে ব্যাপক উত্তেজনা – jharkhand female migrant labour death at south 24 parganas sonarpur


কারখানার মধ্যে ভিনরাজ্যের এক মহিলা শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য৷ অসুস্থ আরও ১২ জন মহিলা শ্রমিক। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থানা এলাকায়। প্রতিবাদে কারখানায় ভাঙচুর ও বিক্ষোভ অন্যান্য শ্রমিকদের ৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে সোনারপুর থানার পুলিশ৷ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খবর দেওয়া হয়েছে মৃতার পরিবারকেও ৷

পুলিশ ও কারখানার অন্যান্য শ্রমিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা রুবী কুমারী সোনারপুর এলাকার একটি গেঞ্জি কারখানায় কাজ করতেন৷ কারখানার হোস্টেলেই থাকতেন রুবী৷ বিগত ৪দিন ধরে অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি৷ বমি, কাশী-সহ একাধির শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল তাঁর৷ তিনি বারবার ছুটির কথা জানালেও, কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করেনি বলে বলে অভিযোগ ৷ এমনকী চিকিৎসাও করানো হয়নি বলে অভিযোগ মৃতার সহকর্মীদের৷ অসুস্থতার মাঝেই তাঁকে দিয়ে কাজ করানো হয় বলে অভিযোগ কারখানার অন্যান্য শ্রমিকের। এমনকী তাঁর চিকিৎসা না করিয়ে শুধুই নার্সরুমে রেখে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ৷

Dakshin 24 Pargana News : সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রেম থেকে বিয়ে, ৩ মাস পরেই ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! গ্রেফতার স্বামী
মৃতার সহকর্মীরা যা বলছেন…
মৃতার এক সহকর্মী সংগীতা কুমারীর অভিযোগ, ‘ওর (রুবী কুমারীর) ৪ দিন ধরে শরীর খারাপ ছিল। ছুটি নিয়ে বাড়ি যেতে চেয়েছিল। কিন্তু ছুটি দেওয়া হয়নি। একদিন নার্সরুমে রাখে, কিন্তু কোনও চিকিৎসা হয়নি। কাশি হচ্ছিল, ম্যাডামের কাছে ওষুধ চাইল। ম্যাডাম বললেন গরম জল খেয়ে নে। আমাদের কাছে কোনও ওষুধ নেই। সংগীতার আরও অভিযোগ, ‘ও অসুস্থ, কিন্তু ওকে দিয়ে কাজ করিয়েছে। নার্সরুম শুধুই নাম কে ওয়াস্তে, কোনও কাজ হয় না।’ মৃতার আরও এক সহকর্মী সুলোচনা কুমারীর অভিযোগ, ‘এখানে কিছু দেয় না। কোথাও যেতে দেয় না, ছুটিও দেয় না। গালাগালি দেয়। বলে, শরীর খারাপ হয়ে কী মরে গিয়েছিস? এখানে মরে যা, এখানেই পুঁতে দেব।’

Dengue Death Rate : ডেঙ্গির বলি আরও এক, এম আর বাঙুরে মৃত্যু টালিগঞ্জের যুবতীর
অভিযোগ অস্বীকার কর্তৃপক্ষের

যদিও মৃতার সহকর্মীদের এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় করাখানা কর্তৃপক্ষ। এমনকী রুবী কোনও ছুটি চাননি বলেই দাবি সংস্থার। এই প্রসঙ্গে সংস্থার এইচ আর ম্যানেজার বিশ্বরঞ্জন মিশ্র বলেন, ‘এখানে নার্স আছে, নার্স ওনার (রুবী কুমারীর) রক্তচাপ পরীক্ষা করেন। রক্তচাপ কম ছিল। তার জন্য তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা বলেন তিনি মৃত।’ এইচ আর আরও বলেন, ‘আমিই ছুটিই দিই, তিনি অসুস্থ ছিলেন বলে আগে শুনিনি। আমার কাছে ছুটির জন্য কেউ আসেননি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *