এই বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুদাম দাস বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে দিঘায় চলেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আর সেই দুর্যোগের কারণে দিঘায় সেইভাবে পর্যটকের দেখা মেলেনি। আর পর্যটক না থাকায় বিক্রিবাটাও একেবারেই হয়নি। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, লাগাতার কয়েকদিন ধরে ঝড় বৃষ্টি হবে দিঘায়। পুজোর আগে আবহাওয়া দফতরের এই ধরণের সংবাদ শুনে ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। তবে আজ দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটায় আশার আলো দেখছি।’
দুশ্চিন্তা কেটেছে হোটেল ব্যবসায়ীদেরও। নিউ দিঘার হোটেল ব্যবসায়ী মানিক দাস বলেন, ‘অবিরাম বৃষ্টির কারণে দিঘায় সেইভাবে পর্যটকদের দেখা নেই। পর্যটক কম থাকায় হোটেল বুকিং খুব কম হয়েছে। তবে আজ দুপুরের পর থেকে কিছুটা বুকিং বেড়েছে। পুজোর সময় এই ধরনের আবহাওয়ায় ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। আশার আলো দেখছি। এখন আবহাওয়া উপর সব কিছু নির্ভর করছে।’
এদিকে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় আনন্দ পেয়েছেন পর্যটকরাও। বাঁকুড়া থেকে ঘুরতে যাওয়া বিমল হাজরা বলেন, ‘বুধবার দিঘায় বেড়াতে এসেছিলাম। বৃষ্টির কারণে হোটেলের মধ্যে সময় কাটাতে হয়। আজ সকাল থেকে মেঘলা আবহাওয়া থাকলেও, দুপুরের পর রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় হোটেল থেকে বেরিয়ে দিঘার সমুদ্রের আনন্দ উপভোগ করতে পারছি।’ প্রসঙ্গত, সামনেই পুজো, আর পুজো মানেই বঙ্গবাসীর অন্যতম গন্তব্য দিঘা। কিন্তু পুজোর আগে আবহাওয়া উদ্বেগ বাড়িয়েছিল দিঘার ব্যবসায়ীদের। অবেশেষ স্বস্তি পেলেন তাঁরা।
দিঘা সমুদ্র সৈকতের আরও সব খবরের জন্য ফলো করুন এই সময় ডিজিটাল চ্যানেল। ক্লিক : https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A
