Israel War : ইজরায়েলে চরম যুদ্ধ, ‘মেয়ে আদৌ ফিরবে তো?’ বুকে ছবি আগলে দুশ্চিন্তায় নির্বাক বাবা – israel hamas war bardhaman post doctorate student in israel in war situation


ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের পর হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে উত্তপ্ত ইসরায়েল। প্রতিনিয়ত চলছে গোলাগুলি। দেশের একাধিক প্রান্ত ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে। সেই ইসরায়েলেই উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়ে আটকে পরেছেন শহর বর্ধমানের বি.এল হাটি রোডের বাসিন্দা শ্রুতি মণ্ডল। চরম উৎকন্ঠায় গোটা মণ্ডল পরিবার।

বারংবার ফোনের দিকে চোখ ও মেয়ের ছবি আঁকড়ে বসে রয়েছেন শ্রুতি মণ্ডলের বাবা নীলকমল মণ্ডল। শ্রুতির পরিবার জানিয়েছে, মাঝেমাধে মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও বেশিক্ষণ কথা বলা যাচ্ছে না। পরিবার জানিয়েছে, ইজরায়েল সরকারের বিধিনিষিধের কারণে ফোনেও কিছু বলতে পারছেন না শ্রুতি। আর এতেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে মণ্ডল পরিবারে।

পড়াশোনা করতে গিয়ে বিপদ! যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েলে আটকে বনগাঁর তরুণ
ঘরের মেয়ে ফিরে ঘরে ফিরে আসুক, এখন এটাই চাইছে পরিবারের। কখন দুশ্চিন্তা গ্রাস করছে তাঁদের। মনে হচ্ছে ‘আদৌ মেয়ে জীবিত অবস্থায় ফিরবে তো?’ ফের মনের জোরে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করছেন শ্রুতির বাবা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন শ্রুতি। সেখান ওডিশার নাইজায় পড়াশোনা করে গবেষণা করতে সোজা ইজরায়েল পাড়ি দেন এই যুবতী। সেখানে তিনি রসায়ন নিয়ে পোস্ট ডক্টরেট করছেন।

শ্রুতির বাবা নীলকমল বলেন, ‘বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ থেকে রসায়নে BSc করার পর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে Msc পাশ করে শ্রুতি। তারপর ওড়িশার নাইজায় পড়াশোনা। সেখান থেকে পিএইচডি করে সোজা নর্থ ইজরায়েলের হাইফা শহরে টেকনিয়ন ইজরায়েল ইনস্টিটিউড অফ টেকনলজি -তে রসায়ন নিয়ে পোস্ট ডক্টরেট করতে যায় আমার মেয়ে। ২০২২-র অক্টোবর মাসে সেখানে গিয়েছিল শ্রুতি। ২০২৩-এ বিয়ের সময় কয়েকদিনের জন্য বর্ধমান এসেছিল। ২৩ ফেব্রুয়ারি ফের ইজরায়েলে ফিরে গিয়েছে।’ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইসরায়েল থেকে কবে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরবে ঘরের মেয়ে,সেই আশাতেই দিন গুনছেন বর্ধমানের মণ্ডল পরিবার।

Israel Hamas War : ‘সাইরেন বাজলেই…’, ইজরায়েল থেকে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন বাঙালি গবেষক
অন্যদিকে পরিবারকে স্বস্তি দিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে দেশে ফিরে এসেছে বনগাঁর বাসিন্দা সাত্যকি কুণ্ডু। সেদেশে গবেষণা করতে গিয়েছিল এই যুবক। ফিরে আসায় দুশ্চিন্তামুক্ত পরিবার। সাত্যকি বলেন, ‘রাজধানী তেল আভিভ থেকে আমি ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে ছিলাম। বোমাবর্ষণের আওয়াজ শুনিনি। তবে অনেকবার সাইরেন বাজতে শুনেছি। ইজরায়েলের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও শুনেছি।’

whatsapp eis.

প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস লড়াই ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে এখন যুদ্ধের পরিবেশ। হামাসের বিভিন্ন ঘাঁটি গোলাবর্ষণে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইজরায়েল। ইহুদি দেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট। নানা ধরনের সামরিক সাহায্য করা হচ্ছে ইজরায়েলকে। পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *