আরও আয় বাড়াতে পার্কস অ্যান্ড গার্ডেনস বিভাগ উত্তরের পার্কগুলিতে স্প্রিং কার, ট্রাম্পোলিন, রাবার বোট, ব্যাটারি কারের মতো শিশুদের জন্য আধুনিক নানা খেলার সামগ্রী যুক্ত করেছে। আয়ের ক্ষেত্রে তার প্রভাবও পড়ছে। উত্তরের এই অভিজ্ঞতাকেই এ বার দক্ষিণবঙ্গে কাজে লাগাতে চান শীর্ষ বনকর্তারা। পার্কস অ্যান্ড গার্ডেনস ডিভিশনের কাছ থেকে এই ব্যাপারে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের আধিকারিক অয়ন ঘোষ বলেন, ‘আমরা প্রতিটি সরকারি পার্ককে স্বাবলম্বী করতে চাই। আমাদের এই পরিকল্পনার কথাই শীর্ষ কর্তারা জানতে চেয়েছেন।’ উত্তরবঙ্গের অন্যতম পার্কগুলির মধ্যে কোচবিহার শহরের নরনায়ারণ পার্ক বিখ্যাত। তেমনই মালবাজার পার্ক, জলপাইগুড়ির তিস্তা উদ্যান, শিলিগুড়ি পার্ক, ইসলামপুর পার্ক, বালুরঘাট পার্কেরও বেশ নাম রয়েছে।
সম্প্রতি জলদাপাড়া অভয়ারণ্য লাগোয়া বীরপাড়া পার্কও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে পার্কগুলির আয়েও। গত আর্থিক বছরে উত্তরবঙ্গে পার্ক থেকে বন দফতরের আয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। গত আর্থিক বছরে সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ মানুষ পার্কগুলিতে বেড়াতে যান।
একটা সময়ে পার্কস অ্যান্ড গার্ডেনস বিভাগ তৈরি করা হয়েছিল, সরকারি কিছু পার্কের দেখভালের জন্য। পরে পার্কের চাহিদা বাড়ায় বালুরঘাট, বীরপাড়া, মালবাজারের মতো এলাকায় পার্ক তৈরি করা হয়। নানা রকমের মরশুমি ফুলে সাজানো এই পার্কে ভিড় বাড়তে থাকে। শিশুদের খেলার সামগ্রী যুক্ত হওয়ার পরে দেখা যায় ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।
এ বার অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস সম্পর্কিত কিছু খেলাও চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে দপ্তরটি। পার্কস অ্যান্ড গার্ডেনস-র উত্তরবঙ্গের ডিএফও বলেন, ‘অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস নিয়ে শিশুদের আগ্রহ রয়েছে। তাই শিশুদের উপযোগী কিছু অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসও পার্কগুলিতে যুক্ত করা হবে।’
