Blood Bank : নেশা বড় বালাই! অর্থের যোগানে রক্ত বেচার চেষ্টা যুবকের, শোরগোল রায়গঞ্জে – young man caught for selling blood at raiganj hospital uttar dinajpur


নেশায় বুঁদ যুবক। এদিকে, নেশার দ্রব্য কিনতে গিয়ে পকেটে টান। শেষমেষ অর্থের জোগানে নিজের রক্ত বিক্রির চেষ্টা এক যুবকের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে। নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য রক্ত বেচতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে ধরা পড়ল সেই যুবক।

কী জানা যাচ্ছে?

নেশার টাকা জোগাড় করতে রক্ত বিক্রির অভিযোগ। হাতেনাতে ধরল কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীরা। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। ধৃতের নাম পাপ্পু রাজভর। বাড়ি রায়গঞ্জের সুভাষগঞ্জ এলাকায়।

হাসপাতাল সূত্রে কী খবর ?

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মুস্তাক আলী নামে মালদার চাঁচলের এক বাসিন্দার স্ত্রীর রায়গঞ্জের একটি নার্সিংহোমে অস্ত্রোপচার হবে। প্রয়োজন ও-পজিটিভ রক্তের। সেই কারণে রক্ত জোগাড় করতে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে আসেন মুস্তাক। সেই সময় ব্লাড ব্যাঙ্কের বাইরে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ওই যুবক নির্দিষ্ট গ্রুপের রক্ত ১৬০০ টাকার বিনিময়ে দিতে রাজি হয়। শেষমেশ ১৫০০ টাকার চুক্তি হয়। এরই মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে

ধরা পড়ে যুবক

এই ঘটনায় রক্ত বিক্রি করতে আসা যুবককে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ধৃত পাপ্পু রাজভর রক্ত বিক্রির অভিযোগ স্বীকার করেছে। বাড়িতে অভাব তাই রক্ত দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছেন বলে দাবি পাপ্পুর। অন্যদিকে, মোস্তাক আলি জানান, তিনি গ্রাম থেকে এসেছেন। এখানে তেমন কেউ চেনা পরিচিত নেই। রক্ত কেনা যে আইনত অপরাধ তা তিনি জানতেন না।

Digital Ration Card : রেশন দুর্নীতি বিতর্কের মাঝেই রাস্তা থেকে উদ্ধার ডিজিটাল কার্ড, শোরগোল রায়গঞ্জে
রক্ত নিয়ে দালালরাজ

অপরদিকে, এই ঘটনার কথা জানতে পেরে হাসপাতালে ছুটে আসেন সমাজকর্মী কৌশিক ভট্টাচার্য। তিনি এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রোজ বহু মানুষ আসেন। এরই মাঝে সকলের আড়ালে ঢুকে পরে দালালরাও। তাই ব্লাড ব্যাঙ্কে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করার আবেদন জানিয়েছেন কৌশিক ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, এর আগেও রায়গঞ্জ মেডিক্যালে এধরনের ঘটনা ঘটছে। দেখা যাচ্ছে মাদকাসক্ত তরুণরা নেশার টাকা জোগার করার জন্য এসব কাজে লিপ্ত হচ্ছে। বেশ কয়েকবার ধরা পরলেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন নেই। কোন পথে এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব তা নিয়েই ভাবছে কর্তৃপক্ষ। যদিও এই বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি কর্তৃপক্ষের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *