কী জানালেন কুণাল?
কুণাল এদিন জানান, সন্দেহ সব সময় ‘অপরাধমনকে তাড়া করে বেড়ায়’। শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে তাঁর বক্তব্য, ভয় এবং অপরাধবোধ থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগে এত দ্রুত জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কুণাল এদিন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সরাসরি অভিযোগ করেননি বা কোনো ব্যক্তিকে এককভাবে অভিযুক্ত করেননি। তবুও জনাব অধিকারী তার আয়কর রিটার্নস ট্যুইট করতে ছুটে এলেন।’
শুভেন্দু কী বলেন?
শুভেন্দু এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে আয়কর নিজের দফতরের কিছু নথি শেয়ার করেন। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে আক্রমণ করে তিনি জানান, আপনাদের ( মুখ্যমন্ত্রী) যত এজেন্সি আছে কাজে লাগিয়ে দেখান এবং প্রমাণ করুন, এক পয়সা বাড়তি রোজগার করেছেন তিনি। শুভেন্দু আয়কর রিটার্ন পোস্ট করে কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছিলেন?
সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ কাদের ৬০-৭০-৮০টা ট্রলার আছে, কত গাড়ি আছে, কটা পেট্রল পাম্প আছে? আমরা সে সব কাগজপত্র বার করছি। এতদিন করিনি, এবার করব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ মন্ত্রী থাকাকালীন হলদিয়া ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান হিসাবে কত টাকায় কত জমি বিক্রি করেছেন কেউ যান… কেঁচো খুঁড়তে গেলে কেউটে বেরিয়ে আসবে।’ উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী থাকাকালীন হলদিয়া ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত ছিলেন। বিজেপিতে যোগদান করার আগে সেই পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের পরেই বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়ে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরোধিতা করতে শোনা যায়, আরেক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকেও। দিলীপ জানান, উনি যদি মাটি খুঁড়ে কেউটে হোক বা কেঁচো হোক বের করতে চান, তাহলে করুন। তাঁর কথায়, ‘সিপিএমকে এত হুমকি দিয়েছিলেন উনি, কিন্তু একজন কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।’ দিলীপের কটাক্ষ, উল্টে তার দলের লোকেরাই এখন জেলে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে।
