Kolkata Municipal Corporation : অনলাইনে সম্পত্তিকর-মিউটেশন ফি জমা আরও সহজে, নতুন প্রযুক্তি আনছে KMC – kolkata municipal corporation bringing new technology in online mutation and property tax payment system


সম্পত্তি কর জমা দেওয়া হোক বা মিউটেশন, কলকাতা পুরসভার অনলাইন পরিষেবায় হোঁচট খেতে হয় গ্রাহকদের। একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল পুরসভার কাছে। এবার কলকাতা পুরসভার অনলাইন পরিষেবাকে আরও আধুনিকীকরণের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু।

কী জানা যাচ্ছে?

কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, আগামী ৬ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে পুরসভায় নতুন পদ্ধতির একটি ট্রায়াল রান শুরু হবে। নতুন অনলাইন সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, কোথাও কোনও ত্রুটি রয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষা করা হবে। পুরসভার সম্পত্তিকর মূল্যায়ণ ও রাজস্ব আদায় বিভাগের আধিকারিক সূত্রে খবর, আইটি বিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরো বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত আপডেট

জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ আরও আপডেটেড করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাতে কোনও সমস্যা না হয় নাগরিকদের সেরকম সহজবোধ্য এবং আধুনিক ব্যবস্থা রাখা হবে। সিস্টেম বদলের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। পুর কমিশনার বিনোদ কুমার ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সম্পত্তি কর বিভাগ এবং আইটি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

কেন নতুন সিস্টেম?

পুরসভা সূত্রে খবর, ওয়েবসাইট এবং অ্যাপের মাধ্যমে সম্পত্তিকর জনিত কাজ যাতে খুব সহজে করতে পারেন নাগরিকরা, পুরো বিষয়টি যাতে ইউজার ফ্রেন্ডলি হয় তার জন্যেই এই নতুন পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে, পুরসভার সম্পত্তিকর মূল্যায়ণ ও রাজস্ব আদায় বিভাগের কর্মী ও আধিকারিকরা নতুন সিস্টেম ব্যবহার করবেন। পুরো প্ল্যাটফর্মটি ঠিক ভাবে কাজ করলে তবে সেটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য চালু করে দেওয়া হবে

‘আপডেটেড’ সিস্টেম

পুরসভার তরফে নতুন ‘আপডেটেড’ অ্যাপ বা ওয়েবসাইট পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পূর্ণ ভাবে সফল হলে তবেই সেটা সাধারণ নাগরিকদের জন্য চালু করা হবে। নতুন অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে থাকবে পাবলিক ‘ফিডব্যাক’-এর সুযোগ। পরে সমস্যা বুঝে আরও বদল আসবে নয়া সিস্টেমেও বলেও জানানো হয়।

উন্নয়নমূলক কাজে ৫০০ কোটি কেন্দ্রীয় অনুদান পাচ্ছে পুরসভা
অসুবিধায় পড়েন নাগরিকরা

পুরসভার কাছে একাধিক অভিযোগ আসছিল, পুরসভার অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পত্তি কর জমা দেওয়া নিয়ে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ জানাচ্ছিলেন, কর জমা দেওয়ার জন্য টাকা কেটে নেওয়া হলেও রশিদ পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক সময় রশিদ ডাউনলোড করার জন্য অপশন পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার কেন্দ্রীয় অফিসে অভিযোগ জানান হলেও সেখান থেকেও সাহায্য করতে পারছিলেন না পুর আধিকারিকরা। অনলাইন সিস্টেমের খামটির জন্যেই সমস্যা তৈরি হচ্ছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *