Arjun Singh : ‘মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি…’, ব্যারাকপুরে বন্ধ একাধিক মিল! ক্ষোভ অর্জুনের – arjun singh drew chief minister mamata banerjee attention to the closure of the factory in barrackpore


‘মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, দেখা যাক কী হয়!’ — একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। পুজোর মরশুমে দিনের পর দিন একাধিক জুট মিল বন্ধ হওয়ার পথে। মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের বিরোধের জেরে বন্ধ কাজ। রবিবারও জগদ্দলের একটি কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের জেরে কাজ বন্ধ হয়।

কী জানা যাচ্ছে?

শ্রমিক-মালিক অসন্তোষের জেরে বারবার বন্ধ হয়ে যায় ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কলকারখানা। তবে প্রত্যেক বার মিল শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা দেন ব্যারাকপুর সাংসদ অর্জুন সিং। বিগত চার মাস ধরে বন্ধ জগদ্দলের এআই চাঁপদানি ফ্লেক্স ইউনিট, তার পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে শ্যামনগর অন্নপূর্ণা কটন মিলও। জগদ্দলের এআই চাপদানি জুট মিলের সামনে বিক্ষোভ দেখান মিল শ্রমিকরা। গোটা বিষয় নিয়ে এক শ্রেণির মিল মালিককে কাঠগড়ায় তুললেন ব্যারাকপুরের সাংসদ।

কী বললেন অর্জুন?

সাংসদ এদিন বলেন, ‘শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি হয়ে যাওয়ার পরেও মিল বন্ধ করে রাখছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে শ্রমিকদের ক্ষোভ বাড়ছে। তার আঁচ পড়বে কর্তৃপক্ষের উপর।’ তাঁর কথায়, মালিক কর্তৃপক্ষের গাফিলতি জেরেই মাঝে মধ্যেই মিল বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটছে। আমি গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। দেখা যাক কী হয়?’

মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল সহ জগদ্দল, চাঁপদানি এলাকার বিভিন্ন জুট মিলের মালিকপক্ষের একাংশকে একহাত নেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, ‘এখন তো জুট মিল মালিক বলে কিছু নেই। সব এক একটা প্রোমোটার হয়ে গিয়েছে। মাছের তেলে মাছ ভাজার চেষ্টা করছে।’ তাঁর কথায, মিল মালিকরা আইন মেনে কাজ করছে না।

Ed Raid : রেশন দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ইডি হানা, তল্লাশি বনগাঁর আটাকলে
উল্লেখ্য, বিগত চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে জগদ্দল এআই চাপদানি ফাইন ইয়ান ইউনিট জুট মিল। কর্তৃপক্ষ তরফে বলা হয়েছিল নভেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে জুট মিল আবার পুনরায় চালু করা হবে। সেই মর্মে মিলের চারটি ইউনিয়নের সঙ্গে একটি চুক্তিও করে মিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও মিল না খোলায় রবিবার জগদ্দল ঘোষপাড়া রোড অবরোধ করেন ওই মিলের জুটমিল কর্মীরা। প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ চলার পর মিছিল করে শ্রমিকরা জগদ্দল থানায় একটি স্মারকলিপি জমা দেন। সেখানেই তাঁরা জানান, চুক্তিপত্র অনুযায়ী অবিলম্বে মিল খুলতে হবে। না, হলে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলন হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *