এই পুজোয় সব থেকে বেশি নজর কাড়বে লেজার শো বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। মণ্ডপ আকর্ষনীয় করে তুলতেও থাকছে বেশ কিছু লেজার লাইট শো। আর সেই লাইটিংয়ের মাধ্যমে মহাদেবের ছবি সহ বিভিন্ন পুরানের গল্প দেখানো হবে। থাকবে মাননসই মিউজিক ও আবহসঙ্গীত। ১৫ লাখ টাকারও বেশি বাজেটের এই পুজো গত কয়েক বছর ধরেই মধ্যমগ্রামের অন্যতম ক্রাউড পুলার। কালীপুজোর আর হাতে গোণা কয়েকদিন বাকি। তার আগে চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মণ্ডপ নির্মাণের কাজ চলছে।
জানা গিয়েছে, সুবিশাল আদিযোগী মূর্তিটি বানানো হবে ফাইবার কাস্টিং করে। মণ্ডপের মূল ফাইবার মূর্তি শুধু নয়, মণ্ডপের ভিতরে থাকবে শিবের নানা মূর্তিও। লাইট ও সাউন্ডের মাধ্যমে আদি যোগীনাথকে দর্শনার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান পুজো কমিটির উদ্যোক্তা কৃষ্ণেন্দু মন্ডল। ইতিমধ্যেই ব্যাপক মানুষের ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে পর্যবেক্ষণ করে যাওয়া হয়েছে গোটা এলাকা। কী ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেওয়া হবে সে বিষয়ে এখন পরিকল্পনার রূপায়ণ চলছে বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে সল্টলেকের বিজে ব্লকও তৈরি করেছিল কোয়েম্বাটুরের আদিযোগীর মূর্তি। সেই মণ্ডপ দেখতে ভেঙে পড়েছিল দর্শকের ঢল। কিন্তু ভিড় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাওয়ায় প্রশাসনের নির্দেশে লেজার শোতে কাঁচি চালাতে বাধ্য হন উদ্যোক্তারা। সেবার এই মণ্ডপ যারা দেখার সুযোগ পাননি। তাদের জন্য নয়া কলেবরে আদিযোগী মূর্তির মণ্ডপ তৈরি করছেন মধ্যমগ্রামের পূর্বাশা ক্লাব।
