Teacher Recruitment Scam Bengal : ইন্টারভিউ প্যানেলে এইট পাশ তৃণমূল নেতা এখনও চর্চায়! জবাব, ‘নিয়ম আছে…পড়াশোনা না থাকলেও সমস্যা নেই’ – wb teacher recruitment scam investigation reveals that class 8th pass tmc leader abed alisha sayed was in recruitment board


প্রাথমিকের ইন্টারভিউতে অষ্টম শ্রেণি পাশ তৃণমূল নেতা। ২০১২ সালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক পুরসভার কাউন্সিলার সৈয়দ আবেদ আলি শা-র নাম সেই তালিকায় থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জলঘোলা হয়েছে । গত কয়েক মাস আগেই এই বিষয়টি সামনে আসে। তবে এখন তা নেটপাড়ার চর্চার অন্যতম বিষয়। জানা গিয়েছে, পুরসভার কাউন্সিলার হিসেবে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সদস্য হয়েছিলেন। ২০১২ সালে অনেক প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেন তিনি। ওই সালের নিয়োগের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু হওয়ায় তদন্ত কমিটিকে ১১ বছর আগের সিলেকশন কমিটি ও ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা প্রত্যেকের তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকাতেই দেখা যায় তমলুকের তৃণমূল সেলের সংখ্যালঘু চেয়ারম্যান সৈয়দ আবেদ আলি শা-র নাম । যা ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে এখনও সরগরম নেটপাড়া।

২০০৯ সালে যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বের হয় তা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিন বছর আটকে থাকার কারণে ২০১২ সালে নিয়োগ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। প্রথম থেকেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয় বলে অভিযোগ ওঠে। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবেদ আলি এই সময় ডিজিটাল-কে বলেন, ‘ যাঁরা সমালোচনা করছেন, তাঁদের বলব প্রাথমিক সংসদের আইন আগে জেনে নিতে। জন প্রতিনিধি হিসেবে আমি ছিলাম, থাকতেই পারি। পড়াশোনা না থাকলেও সমস্যা নেই।’

‘ইডি মিথ্যে কথা বলছে, আসলে এখানে কিছুই ঘটেনি’!

প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার কথা শুনেছি। যতদূর জানি, পুরসভার কাউন্সিলার হিসেবে ওই বোর্ডে ২০১২ সালে উনি ছিলেন। কোনও এক্সপার্ট হিসেবে ছিলেন না। যেমন করে, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীও অনেক কমিটিতে থাকেন, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা জানিনা, এটাও তেমনভাবে হয়েছে। এখানে কাউন্সিলের কোনও ভূমিকা নেই।’

এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে দফায় দফায় চাকরি বাতিলের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। তাতে গোটা রাজ্যের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রসঙ্গত, জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলে মোট ৪০ জন সদস্য ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১২ জন জন প্রতিনিধি। চারটি মহকুমা থেকে তিনজন করে নির্বাচিত কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। বাকিরা মনোনীত সদস্য ছিলেন। তমলুক পুরসভার তৎকালীন কাউন্সিলার সৈয়দ আবেদ আলি শা, তৃপ্তি বর্মন খাঁড়া পুরসভার জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *