Visva Bharati University : ‘সকাল থেকে একটাও ক্লাস নিতে পারিনি’, চেয়ারে বসেই আক্ষেপ বিশ্বভারতীর নয়া উপাচার্যর – visva bharati university new interim vc sanjoy kumar mallik first reaction after taking charge


‘আমি শিক্ষক, আমি একটি ভুল পদক্ষেপ করতে চাই না’, বিশ্বভারতীর অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন সঞ্জয়কুমার মল্লিক। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকই সঞ্জয়কুমার মল্লিক জানান, অন্তর্বর্তী উপাচার্যের কাজের সীমা কতোটা, অর্থাৎ তিনি কী কী করতে পারেন, আর কী কী করতে পারেন না, সেই বিষয়ে মন্ত্রকের থেকে বিষদে জানতে চেয়েছেন। মন্ত্রকের থেকে বিস্তারিত জানার পরেই নিজের আগামীদিনের পরিকল্পনার বিষয়ে জানাতে পারবেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘আমি অন্তর্বর্তী উপাচার্য। আমি যতদূর জানি, অন্তর্বর্তী উপাচার্যের সম্পূর্ণ ক্ষমতা থাকে না। তাই সেই বিধিনিষেধটা কী, সীমাবদ্ধতা কী, তা মন্ত্রকের দেওয়া সংক্ষিপ্ত চিঠিতে স্পষ্ট নয়। স্পষ্টীকরণ আমরা চেয়েছি। সেটা পাওয়া গেলেই বুঝতে পারবো, আমি কী করতে পারি, আর কী করতে পারি না। এটা না জানলে, কোনও কিছুরই উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। শুধু এইটুকু জানি, আমার প্রধান ও প্রাথমিক দায়িত্ব, সেই পদ্ধতিটাকে চালু করে দেওয়া, যার মাধ্যমে একজন স্থায়ী উপাচার্য আসতে পারেন। এর জন্য দু’টো বৈঠক করতে হয়, একাট বিশ্বভারতী কোর্ট, অপরটি ইসি। আমার একান্ত ইচ্ছা, যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়াটাকে করে দেওয়ার। সঞ্জয় মল্লিক আরও বলেন, আমি মূলত শিক্ষক, শিক্ষকতা করি, সেখান থেকেই অধ্যক্ষ। আমি চাইব একজন স্থায়ী উপাচার্য এই অত্যন্ত মূল্যবান পদটি অধিকার করুন এবং বিশ্ববিদ্যায়কে সঠিক দিশা দিন।’

ফলক বিতর্কে তিনি কোনও পদক্ষেপ করবেন কি না, এদিন সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, সঞ্জয়কুমার মল্লিক জানান, তিনি পদক্ষেপ করতে পারেন কি না, সেটাই তাঁর জানা নেই। কারণ মন্ত্রক থেকে তাঁর কাছে একলাইনের কাছে যে চিঠি এসেছে, তাতে লেখা ‘চার্জ হ্যান্ডওভার’। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে পুলিশি নোটিশের বিষয়ে সঞ্জয়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখনও কিছুই জানি না। তিনি কোথায় আছেন, কবে যাবেন, কী বলেছেন, কোনও কাগজই আমার এখনও পর্যন্ত দেখা হয়নি।’ তবে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনে প্রশাসনকে সমস্ত সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

Visva Vharati University : অবসরের পরেই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে পুলিশের নোটিশ, ১৪ নভেম্বর হাজিরার নির্দেশ
তবে এদিন উপাচার্যের আসনে বসেই নিজের আক্ষেপের কথা লুকিয়ে রাখেননি তিনি। সঞ্জয় জানান, আসনে বসার পরে তিনি এখনও পর্যন্ত কোনও সংকল্প নেননি। কারণ তাঁর কাছে গোটা বিষয়টিই আকাশ থেকে পড়ার মতো। তিনি বলেন, ‘আমি পড়ি-পড়াই, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত আমার সাক্ষাৎ হয়। আমার আফসোস এটাই, আমি সকাল থেকে একবারও অ্যকাডেমিক কাজ করিনি।’ এক্ষেত্রে শিক্ষামহল মনে করছে, সকাল থেকে কোনও ক্লাস নিতে না পারার কারণেই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *