Lakshmir Bhandar scheme : শুধু দুয়ারে সরকার শিবির নয়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য বছরজুড়ে আবেদন – women can apply for lakshmir bhandar whole year how and where to submit application


এই মুহূর্তে রাজ্য সরকারের সফল সরকারি প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। রাজ্যের বহু মহিলা এই প্রকল্পে উপকৃত হয়েছেন। এবার এই প্রকল্প আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য। দুয়ারে সরকার শিবিরের জন্য আর অপেক্ষা করতে হবে না। এবার সারা বছরই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে করা যাবে আবেদন। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে নবান্নের পক্ষ থেকে।

কোথায় আবেদন করা যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য?
নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে নবান্ন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকাগুলিতে স্থানীয় বিডিও অফিসে গিয়ে আবেদন করা যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য। অন্যদিকে, শহরের মানুষজন এসডিও অফিসে গিয়ে করতে পারবেন আবেদন। কলকাতা পুরসভা এলাকার বাসিন্দা যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে চান তাঁদের যেতে হবে পুরসভায়।

আবেদন জমা পড়ার পর যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। যদি সমস্ত তথ্য সঠিক থাকে সেক্ষেত্রে আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা পাঠানো হবে রাজ্যের তরফে।

তবে কি অনলাইনেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনের সুবিধা?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য কি এবার অনলাইনেও আবেদন করা যাবে? প্রশ্ন একাধিক উপভোক্তার। এখনও পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার কোনও নিয়ম চালু হয়নি। তবে অদূর ভবিষ্যতে তা করা যায় কিনা, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজ্যের ১ কোটি ৯৮ লাখের বেশি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সাহায্য পেয়ে থাকেন। সম্প্রতি দুয়ারে সরকার শিবির শেষ হয়েছে। সেখানেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলেন বহু মানুষ। তাঁদের জমা করা তথ্যগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। এরপর আরও নয় লাখের বেশি মহিলা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন। ফলে মোট উপভোক্তার সংখ্যা ২ কোটি ছাপিয়ে যাবে।

National Health Mission: জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন প্রকল্পের বরাদ্দ বন্ধ? হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের
জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পে রাজ্যকে প্রতি মাসে ১ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। এই নতুন করে আরও নয় লাখ মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিতে হলে আরও ৫০০ কোটি টাকা দিতে হবে রাজ্যকে।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প

তৃতীয়বার বাংলার মসনদে বসার পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তফসিলি জাতি এবং উপজাতির মহিলারা মাসে হাজার টাকা করে পান এবং জেনারেলদের ক্ষেত্রে অর্থটা ৫০০। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তাবলী প্রযোজ্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *