অ্যাকাউন্টে আটকে ২ মাসের বেতন, ফাঁপরে স্বাস্থ্যকর্মী – a health worker in chittaranjan receives salary money every month but is unable to withdraw


এই সময়, আসানসোল: প্রতি মাসে বেতনের টাকা ঠিকমতোই ঢুকে যাচ্ছে অ্যাকাউন্টে। কিন্তু সেই টাকা তুলতে পারছেন না রূপনারায়ণপুরের বাসিন্দা সরকারি কর্মী নরেশ বাল্মীকি। পর পর ২ মাস অক্টোবর ও নভেম্বরের বেতন হাতে না-পেয়ে সমস্যায় পড়েছেন সালানপুর ব্লকের পিঠাকেয়ারি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নরেশ।

জানা গিয়েছে, চিত্তরঞ্জনে এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় রয়েছে ওই স্বাস্থ্যকর্মীর অ্যাকাউন্ট। কিন্তু বেঙ্গালুরু পুলিশের নির্দেশে ওই অ্যাকাউন্টে লেনদেন সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ এখন। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি চিঠি নিয়ে চিত্তরঞ্জন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নরেশ। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবরও করছে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ। নরেশ বাল্মীকি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন, গত ১২ অক্টোবর বেতনের টাকা তুলতে ব্যাঙ্কে গেলে তাঁকে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন যে ওই টাকা তোলা যাবে না। কারণ, বেঙ্গালুরু থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে কয়েক লক্ষ টাকা জমা পড়েছে।

সেইমতো সেখানকার পুলিশের নির্দেশেই এই অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে। নরেশের বক্তব্য, ‘ওই অ্যাকাউন্টে বেতনের টাকা ছাড়া আর কিছুই ঢোকে না। কোন অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা পাঠানো হয়েছে, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। অক্টোবরের পর নভেম্বরের বেতনও তুলতে পারিনি। এ ভাবে চললে আগামী দিনে অনাহারে দিন কাটাতে হবে।’

Asansol News : ‘স্বাস্থ্য সচেতন চোর!’ শুধু টাকা-গয়না নয়, পলাতক ডাম্বেল নিয়েও
ঘটনাটি জানেন বিএমওএইচ সুব্রত সিট। তিনি বলেন, ‘গত অক্টোবর মাস থেকে বেতন তুলতে পারছেন না আমাদের এক কর্মী। তাঁর একটি আবেদন আমরা চিত্তরঞ্জন থানা ও রূপনারায়ণপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ফরওয়ার্ড করে পাঠিয়েছি।’ যদিও চিত্তরঞ্জন থানার আইসি রাজু স্বর্ণকার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাঁরা জানিয়েছেন, তদন্তের খাতিরে অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের হাতে কিছুই নেই। যা করার বেঙ্গালুরু পুলিশ এবং ব্যাঙ্ক করবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *