কী বললেন জেলাশাসক
পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক তনবীর ইকবাল বলেন, ‘মিধিলি নিয়ে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকদের তৎপর থাকার কথা বলা হয়েছে। ঝড় বৃষ্টি বাড়লে জেলার ফেরিঘাটগুলি বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। দিঘায় বাড়তি নজদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য উদ্ধারকারী দলকে তৈরি রাখা হয়েছে। দিঘায় পর্যটকদের সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিশেষ নজদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে পর্যটকদের কোনও রকমের সমস্যা না হয় তার জন্য আমরা তৎপর রয়েছি।’
মন খারাপ দিঘার পর্যটকদেরও
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মন খারাপ দিঘার পর্যটকদেরও। সৈকত শহরের ঘুরতে এসেও সমুদ্র স্নান থেকে বঞ্চিত থাকতে হচ্ছে পর্যটকদের। দিঘায় আগত হাবড়ার পর্যটক সত্যজিৎ দে বলেন, ‘আনন্দ করতে দিঘাতে এসেছিলাম। মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছে এখানে। তিনদিন হল দিঘাতে এসেছি। কিন্তু এখনও সমুদ্র স্নানে নামার সুযোগ পাইনি। এখন শুনছি হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মনে হয় না, আজও নামতে পারব। তবে সমুদ্র উত্তাল, মনোরম রূপ ধারণ করেছে। এমন সমুদ্র আমরা আগে কখনও দেখিনি। প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে তো কারও কিছু করার নেই। প্রশাসন তাদের কাজ করছে।’
ঘূর্ণিঝড় মিধিলি নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা
বঙ্গোপসাগরের উপর ঘণীভূত ঘূর্ণিঝড় মিধিলি নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষকদেরও। এর ফলে চিন্তায় পড়েছে কৃষকরা। মাঠে রয়েছে ধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন শাক সবজি। সেগুলি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন এই জেলার কৃষকরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কৃষি নির্ভর জেলা। এই জেলায় ধান, পান, ফল, ফুলের পাশাপাশি শাক সবজিও ব্যাপক পরিমাণে চাষ করা হয়। আবহাওয়া দফতরের তরফে ঘূর্ণিঝড়ের কথা ঘোষণা করায় চিন্তা বেড়েছে কৃষকদেরও। তবে প্রশাসনের তরফে পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
