ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?
এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘কুণাল এই নিয়ে ঠিক কী বলেছেন তা আমি জানি না। সরকার সরকারের বিষয় নিয়ে কথা বলবে। এই নিয়ে মন্তব্য করার অথরিটি আমি নই।‘ তাঁর এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় সভা করছে BJP। আর এই সভার প্রধান বক্তা থাকছেন অমিত শাহ। কিন্তু, দুবার আইনি জটে আটকে গিয়েছিল সভাটি। আদৌ তা শেষ পর্যন্ত হবে কিনা, উঠছিল প্রশ্ন। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল গেরুয়া শিবির।
সিঙ্গল বেঞ্চ সভার অনুমতি দেয়। যদিও সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। কিন্তু, ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেয় এবং সেখানেই সভা করার অনুমতি দিয়েছিল।
এরপরেই এক বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলের সৈনিক হিসেবে মনে করছি,ওখানে ২১ জুলাই সভা করার অধিকার দলের আছে। একজন নাগরিক হিসেবে আমার মনে হয়, যদি একটা দল সেখানে সভা করে সেক্ষেত্রে বাকিরা কেন নয়!’ কুণালের নিশানায় ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পরামর্শদাতারা’।
কুণালের মন্তব্যের পরেই শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। শুধু তাই নয়, তাঁর মন্তব্য আদি এবং নব্য বিতর্কেরও সূত্রপাত করেছিল। তবে শনিবারই নিজের মন্তব্য ‘ব্যাখ্যা’ করেছেন কুণাল। তিনি বলেন, ‘দয়া করে কোনও ভ্রান্ত ধারণা রাখবেন না। আমি শুক্রবার যা বলেছি, তা একেবারেই দলের একজন সাধারণ সৈনিক হিসেবে, দলের মঙ্গলকামনায়। এর পিছনে অন্য কারও কোনও ভূমিকা নেই। এই চর্চা ভিত্তিহীন। দল নির্বিকল্প। মানুষ দলকে চান। কিছু অনাবশ্যক নন ইস্যু থেকে দূরে থাকলে দলেরই ভালো।’
এখানেই শেষ নয়, কুণালের মন্তব্য ছিল, ‘এই বিষয়ে আমি কোনও প্রশ্ন আজ শুনতে পাচ্ছি না। গতকাল ছিল শুক্রবার আজ শনিবার। মাঝে লোপামুদ্রা মিত্রের গান শুনেছি। মাথা অন্য রকম হয়ে গিয়েছে।’
