Wildlife Protection Act,৩ হাতি মৃত্যুর ঘটনায় নজিরবিহীন ভাবে বাজেয়াপ্ত মালগাড়ি, রেলের সম্পত্তির ভবিষ্যৎ কী? – after three elephants were killed in alipurduar forest seized goods train know wildlife protection act


ট্রেনের ধাক্কায় ফের ডুয়ার্সে হাতির মৃত্যু হল। এত নিয়ম নীতি, নির্দেশিকার পরেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। সোমবার আলিপুরদুয়ারের রাজাভাতখাওয়া ও কালচিনি স্টেশনের মাঝে মালগাড়ির ধাক্কায় এক হস্তিশাবক সহ তিনটি হাতির মৃত্য়ু হয়। কয়েক বছর আগে পর্যন্তও রাজ্যে এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে। তবে নজিরবিহীনভাবে এই ঘটনায় রাজ্যে প্রথম কোনও ট্রেন (মালগাড়ি) বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি মালগাড়ির লোকো পাইলট, গার্ডের নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারি পরীক্ষা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন দফতরের কর্তাদের দাবি, ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

কোন আইনে আস্ত ট্রেন সিজ?

  • Wildlife Protection Act 1972 Amendment 2022- এ অনুযায়ী ‘ভেহিকেল সিজ’ করার কথা বলা আছে
  • উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গে হাতি বা অন্য বন্যপ্রাণকে আঘাত বা হত্যা করে বাস সিজ করার মতো ঘটনা ঘটেছে
  • তবে রাজ্যে প্রথম ট্রেন বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটল
  • বন দফতর যে কড়া মনোভাব নিয়েছে তা পরিষ্কার

হাতি আসছে জানান দেবে ‘ঠরকা’!

কী হবে বাজেয়াপ্ত হওয়া মালগাড়ির?

বন দফতরের এক কর্তা বলেন, ‘মালগাড়ি তো আর বাসের মতো কোথাও নিয়ে যাওয়া যাবে না। কারশেড বা কোনও সাইড লাইনে মালগাড়িকে দাঁড় করিয়ে রাখতে হবে। অথবা যেহুতু এটি সরকারি সম্পত্তি আইনজীবী মারফত কোর্টের কাছে আবেদন করে মালগাড়িটি ব্যবহার করা যেতে পারে । সবটাই আইন অনুযায়ী হবে।’

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন

রাজ্যের প্রাক্তন প্রধান মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) প্রদীপ ব্যাস

ঠিক কী হয়েছিল?

বন দফতর সূত্রে খবর, সোমবার সকালে ডুয়ার্সের জঙ্গলের ভিতরে থাকা রেলপথ ধরে আলিপুরদুয়ার জংশন থেকে শিলিগুড়ি যাচ্ছিল মালগাড়িটি। স্থানীয়দের দাবি, হাতির একটি দল তখন লাইন পেরোচ্ছিল। এরপরেই দুটি হাতিকে ধাক্কা মারে ট্রেনটি, হস্তিশাবকটি ট্রেনের সামনে পড়ে যায়। তাকে পিষে দেয় ট্রেনটি। কেউ কেউ দাবি করেছেন, মালগাড়ির গতি অত্যন্ত বেশি ছিল। বন দফতরের কর্তারা বলছেন গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাতির হানা কাড়ল প্রাণ! ছড়াচ্ছে আতঙ্ক


বন দফতরের কর্তারা কী বলছেন?

বন দফতরের কর্তারা বলছেন, প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের প্রাক্তন প্রধান মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) প্রদীপ ব্যাস এই সময় ডিজিটালকে বলেন, ‘ঘটনার ১৮o ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তা না করে বন দফতর বা রেল মন্ত্রক কোনওভাবে কাউকে দোষ দেওয়া যাবে না। দুই দফতর সঙ্গে NGO-র সাহায্য নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমেই এই ঘটনা কমানো যাবে। আগের থেকে এই ঘটনা অনেক কমেছে। আর কমবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *