Foodyy Bangali Kamalika Dey : ফুড ভ্লগ দেখে মাকে ফিরে পেল সন্তান! চর্চায় বাঙালি ইউটিউবার কমলিকা – food vlogger kamalika dey video speread all over social media kharagpur youth get back his mother


ভাইরাল ভিডিয়ো থেকে রিলস, নেট নাগরিকদের আগ্রহের কোনও অভাব নেই। তাই কারণে-অকারণে সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজ ফিডে নজরদারি চালাতে অভ্যস্ত জেনারেশন ওয়াই। সোশ্যাল মিডিয়ার সর্বনাশা ‘নেশা’ জীবনের ‘ফোকাস’ নষ্ট করে দিচ্ছে। এমন কত কথাই না আমাদের সকলকে কমবেশি শুনতে হয়েছে। আর সেই সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে হারিয়ে যাওয়া মাকে খুঁজে পেলেন সন্তান। ইউটিউবারের ভিডিয়ো দেখে খড়গপুরের মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা ফিরে পেলেন তাঁর পরিবারকে। আর এই নিয়ে নিয়েই এখন নেট পাড়ায় শুরু হয়েছে চর্চা।

কমলিকার ভিডিয়ো দেখে মাকে খুঁজে পেলেন জগদীশ

পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার কমলিকা দে-এর প্যাশন ফুড ভ্লগিং। ‘ফুডি বাঙালি’ নামে তিনি ফেসবুক ও ইউটিউবে যথেষ্ট পরিচিত। কমলিকার ভিডিয়োর সৌজন্যে মায়ের খোঁজ পেয়েছেন খড়গপুরের যুবক জগদীশ কুমার। ‘ফুডি বাঙালি’ নামের ফেসবুক পেজে সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো আপলোড করেন কমলিকা। সেই ভিডিয়োতে কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ রাজেশ্বরী পুষ্পলতাকে দেখতে পান তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের তরফে ইউটিউবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় সেই সূত্রেই অবশেষে ওই মহিলাকে খুঁজে পায় তাঁর পরিবার।


নিখোঁজ মাকে ফিরে পাওয়া খুশি জগদীশও। ফোনে এই সময় ডিজিটালকে তিনি বলেন, ‘মা বেশ কিছুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। হঠাৎ করে তিনি খড়গপুরের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। আমরা পুলিশের কাছেও বিষয়টি জানাই। পড়ে হঠাৎ করে ফেসবুক ভিডিয়োতে মাকে দেখতে পাই। সেই সূত্রে বিভিন্ন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাকে খুঁজে পেয়েছি। মা যে কী ভাবে খড়গপুর থেকে কলকাতা চলে এলেন, তা এখনও আমরা বুঝে পাচ্ছি না। তবে তিনি এখন ভালো রয়েছেন।’

কী বলছেন ইউটিউবার?

‘ফু়ডি বাঙালি’ কমলিকা এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে বলেন, ‘সম্প্রতি হাজরা মোড় এলাকার একটি দোকানে আমি বিরিয়ানি খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে ভিডিয়ো করার সময় এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা আমার ক্যামেরায় ধরা পড়েন। আমি ভিডিয়োটা আমার পেজ থেকে আপলোড করেছিলাম। তখনও কিছুই জানতাম না। ভিডিয়ো আপলোড করার পর ওই মহিলার ছেলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমি তখনই তাঁদের যাবতীয় তথ্য জানাই। নিজের পেজ থেকে পোস্টও করি। মহিলার পরিবার পুলিশের থেকেও কোনও সহযোগিতা পাননি বলে আমাকে জানিয়েছেন। অবশেষে আমার এক ফলোয়ারের থেকে খবর পেয়ে ওই মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিজের অজান্তেই ওই পরিবারকে উপকার করতে পারলাম, এটা ভেবে ভালো লাগছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এতো নেগেটিভিটির মধ্যে এক সন্তান ফু়ড ভ্লগ থেকে মাকে ফিরে পেল।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *