Mamata Banerjee : কানুর গ্রাম হাতিঘিষায় জল দেবে সরকার: মমতা – mamata banerjee announced that public health department will provide drinking water to the village of late kanu sanyal in naxalbari


এই সময়, শিলিগুড়ি: নকশালবাড়িতে প্রয়াত কানু সান্যালের গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য দপ্তরই করবে। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নকশালবাড়ির হাতিঘিষা গ্রাম পঞ্চায়েতের সেবদৌল্লা গ্রামে বাস করতেন প্রয়াত নকশাল নেতা কানু সান্যাল। গত কয়েক দশক ধরেই ওই গ্রামের মানুষেরা পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন। কখনও পানীয় জলের প্রকল্প তৈরি করা হলেও সেগুলি মেরামতির ব্যবস্থার অভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ফলে গ্রাম লাগোয়া নদীর জলই ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের তৃষ্ণা মেটানোর একমাত্র ভরসা।

ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কানুবাবুর দল সিপিআইয়ের (এমএল) উদ্যোগে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করেন। গত মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানির সময়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জেলাশাসক এবং ঠিকাদারকে বুধবারই আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন। এদিন বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন জানুয়ারি মাসের মধ্যে ওই গ্রামের ১৫০০ বাড়িতে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে। ৯ জানুয়ারি বিচারপতি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেবেন বলেও আদালতে জানান। এর পরেই এদিন বাগডোগরায় নেমে মুখ্যমন্ত্রী ওই গ্রামের বাসিন্দাদের পানীয় জলের সমস্যার জন্য বিজেপির সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়াকেই কার্যত দায়ী করেন।

তিনি বলেন, ‘এসএস আলুওয়ালিয়া দার্জিলিংয়ের সাংসদ থাকাকালীন ওই গ্রামটি দত্তক নেন। সেই কারণে জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা ওখানে কোনও কাজ করতে পারেননি। এখন সেই সমস্যা নেই। জনস্বাস্থ্য দপ্তর সেখানে পানীয় জল সরবরাহের কাজে নেমেছে। পাইপ পাতার জন্য যেটুকু সময় লাগবে। এখনই এই ব্যাপারে কারও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’ যতদিন প্রকল্পটি তৈরির কাজ শেষ না-হয়, ওই গ্রামের বাসিন্দারা যাতে পানীয় জলের সমস্যা না-ভোগেন সে জন্য তিনি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই ব্যাপারে সিপিআইয়ের (এমএল) নেত্রী দীপু হালদার বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকে ওই গ্রামের বাসিন্দারা নদীর জল খেতে বাধ্য হচ্ছেন। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে পঞ্চায়েত সমিতি, মহকুমা পরিষদ, বিডিও, জেলাশাসক, কাউকে জানাতে বাকি রাখিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হই। যেদিন আদালত পদক্ষেপের নির্দেশ দিল, সেদিন মুখ্যমন্ত্রী এসব বলছেন কেন? এতদিন কী তাঁকে দল বা প্রশাসনের কেউই আমাদের কথা জানায়নি?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *