ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কানুবাবুর দল সিপিআইয়ের (এমএল) উদ্যোগে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করেন। গত মঙ্গলবার ওই মামলার শুনানির সময়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জেলাশাসক এবং ঠিকাদারকে বুধবারই আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন। এদিন বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন জানুয়ারি মাসের মধ্যে ওই গ্রামের ১৫০০ বাড়িতে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে। ৯ জানুয়ারি বিচারপতি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেবেন বলেও আদালতে জানান। এর পরেই এদিন বাগডোগরায় নেমে মুখ্যমন্ত্রী ওই গ্রামের বাসিন্দাদের পানীয় জলের সমস্যার জন্য বিজেপির সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়াকেই কার্যত দায়ী করেন।
তিনি বলেন, ‘এসএস আলুওয়ালিয়া দার্জিলিংয়ের সাংসদ থাকাকালীন ওই গ্রামটি দত্তক নেন। সেই কারণে জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা ওখানে কোনও কাজ করতে পারেননি। এখন সেই সমস্যা নেই। জনস্বাস্থ্য দপ্তর সেখানে পানীয় জল সরবরাহের কাজে নেমেছে। পাইপ পাতার জন্য যেটুকু সময় লাগবে। এখনই এই ব্যাপারে কারও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’ যতদিন প্রকল্পটি তৈরির কাজ শেষ না-হয়, ওই গ্রামের বাসিন্দারা যাতে পানীয় জলের সমস্যা না-ভোগেন সে জন্য তিনি শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই ব্যাপারে সিপিআইয়ের (এমএল) নেত্রী দীপু হালদার বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকে ওই গ্রামের বাসিন্দারা নদীর জল খেতে বাধ্য হচ্ছেন। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে পঞ্চায়েত সমিতি, মহকুমা পরিষদ, বিডিও, জেলাশাসক, কাউকে জানাতে বাকি রাখিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হই। যেদিন আদালত পদক্ষেপের নির্দেশ দিল, সেদিন মুখ্যমন্ত্রী এসব বলছেন কেন? এতদিন কী তাঁকে দল বা প্রশাসনের কেউই আমাদের কথা জানায়নি?’
