Bharatiya Janata Party : বাড়ি যান আক্রান্ত কর্মীদের, নাড্ডার বার্তা বঙ্গ-বিজেপিকে – go home of affected workers j p nadda message to west bengal bjp leaders


এই সময়: শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অথবা নিছক ফোনে সহমর্মিতা জানালেই চলবে না, এ বার থেকে আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতে ছুটতে হবে তাঁদের বাড়িতে-বঙ্গ-বিজেপি নেতৃত্বকে সম্প্রতি এমনই নির্দেশ দিয়েছেন জগৎপ্রকাশ নাড্ডারা। সূত্রের খবর, তাঁদের আশঙ্কা, লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই বাংলার বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা বাড়বে।

দল যে নিচুতলার কর্মীদের পাশে থেকে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে বার্তা দিতেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বর এই কৌশল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সেই সময়ে তাঁদের কতজন কর্মী খুন হয়েছেন, কতজন ঘরছাড়া হয়েছিলেন, সেই ফিরিস্তি এখনও দিতে দেখা যায় রাজ্য বিজেপি নেতাদের।

কিন্তু দলের অন্দরের খবর, কলকাতায় বসে বঙ্গ-বিজেপি নেতারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেও মাঠে নেমে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তাঁদের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। যা নিয়ে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষও আছে। জেলাস্তরের এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘বিধানসভা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের আবহে আমরা রাজ্য নেতাদের সেভাবে পাশে পাইনি। ভোটের আগে আমাদের দলের যাঁরা হুঙ্কার দিতেন, তৃণমূলকে বুঝে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিতেন, ভোট ফল ঘোষণার পর তাঁরা অনেকেই কর্মীদের ফোন তোলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।’

সূত্রের খবর, ২০২১-এ বিধানসভা ভোটের পর রাজ্য নেতাদের কাছ থেকে ভরসা না পেয়ে বিজেপির নিচুতলার বহু কর্মীই আপাতত নিষ্ক্রিয়। অনেকে আবার অন্য দলে নাম লিখিয়েছেন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাই কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিভিন্ন মাধ্যমে নাড্ডাদের কাছে যে রিপোর্ট পৌঁছেছে, তাতে এটা স্পষ্ট করেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলের নিচুতলার কর্মীরা আতঙ্কিত।

তৃণমূল-বিরোধী লড়াইয়ের কঠিন সময়ে দলের রাজ্য নেতাদের পাশে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ঘোর সংশয় রয়েছে তাঁদের। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বিজেপির এক ব্লকস্তরের নেতার মন্তব্য, ‘শাসকের বিরুদ্ধে পথে নামলেই পুলিশ নানারকম কেস দিচ্ছে। দল আইনি লড়াইয়ের ভার না নিলে খুবই সমস্যা।’ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য সবরকমভাবে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে চলেছেন।

Bengal BJP : সিএএ কার্যকর হওয়া সময়ের অপেক্ষা: জোর পদ্ম-প্রচার শুরু
এমনকী, পূর্ব মেদিনীপুর-সহ রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্তের বিজেপি কর্মীদের আইনি সহযোগিতাও তিনি করেন। সূত্রের খবর, সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো রাজ্য বিজেপির এই তিন শীর্ষ নেতার পাশাপাশি, আক্রান্ত কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ছুটতে বলা হয়েছে দলের বিধায়কদেরও।

আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের কথায়, ‘ভোট এগিয়ে আসছে। ফলে তৃণমূলের সন্ত্রাস আরও বাড়বে। আমরা আক্রান্ত কর্মীদের পাশে আরও সংঘবদ্ধভাবে থাকব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *