Poush Mela Shantiniketan 2023 : শান্তিনিকেতনে হচ্ছে ‘বিকল্প’ পৌষমেলা, হতে পারে স্থান বদল! রেকর্ড ভিড়ের আশা – poush mela 2023 to be organised by birbhum district administration says district magistrate


এবারও বন্ধ বীরভূমের শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। সময়ের অভাবের কারণে পৌষমেলা করার সম্ভব নয় বলে আগেই জানিয়েছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। কিন্তু মেলাপ্রেমীদের নিরাশা কাটিয়ে বিকল্প বন্দোবস্তের পথে হাঁটল বীরভূম জেলা প্রশাসন। ২০২২-এর মতো এবারও বিকল্প পৌষমেলার আয়োজন করতে চলছে বীরভূম জেলা প্রশাসন।

শান্তিনিকতনে বিকল্প পৌষমেলা

শুক্রবার বৈঠকে বসে বীরভূম জেলা প্রশাসন। বোলপুর মহকুমা শাসকের কার্যলায়ে হয় সেই বৈঠক। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে এবার বিকল্প পৌষমেলা করা হবে প্রশাসনের তরফে। বৈঠকে জেলাশাসক বিধান রায়, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বীরভূমের জনপ্রতিনিধিদেরও বৈঠকে ডাকা হয়েছিল মিটিংয়ে। সেখানেই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিকল্প মেলার জন্য পূর্বপল্লীর মাঠ চেয়ে বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন জানাবে রাজ্য সরকার। তবে তা যদি না পাওয়া যায় তাহলে বিগত বছরগুলির মত বীরভূম জেলা পরিষদের ডাক বাংলো মাঠে আয়োজিত হবে এই মেলা।

কী বললেন জেলাশাসক?

বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রত্যেক বছরের মতো এবারও পৌষমেলা হবে। সবার উপস্থিতিতে আলোচনা করে আমরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৭ পৌষ (২৪ ডিসেম্বর) থেকে পরম্পরা মেনে তিনদিনের পৌষমেলা হবে। পূর্বপল্লীর মাঠ চেয়ে বিশ্বভারতীর কাছে আমরা আবেদন করব এবং অনুমতি চাইব। এটা রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা মেলা। বিশ্বভারতীয় কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের অনুমতি দিতে অপরাগ থাকেন, তখন জেলা পরিষদের ডাকবাংলো মাঠে এই মেলা হবে। এই মেলার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সংস্কৃতি ও বাঙালির ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। সেই কারণে মেলা হবেই। মাঠ নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। আমাদের আশা এবার রেকর্ড ভিড় হবে।’

মেলা নিয়ে জট

২০১৯ সালে শেষবারের মতো বসেছিল পৌষমেলা। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নির্দেশে এই মেলা বন্ধ করে দেয়। তাঁর অবসরের পর সকলেই ভেবেছিলেন যে এবার পূর্বপল্লীর মাঠে ঐতিহ্যবাহী মেলার আসর বসবে। কিন্তু সময়ের অভাবে মেলা করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয় বিশ্বভারতী। ছোট করে মেলা করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয় শান্তিনিকেতন ট্রাস্টও। এই নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। হোটেল ব্যবসায়ীরাও এই নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ চাপা রাখেননি। এবার বিকল্প মেলায় কেমন ভিড় হয়, সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *