ডেলো বৈঠকের স্মৃতিচারণা
বক্তব্যের মাঝেই এদিন বিতর্কিত ডেলো মিটিংয়ের কথা উত্থাপন করেন বিজেপি বিধায়ক। শুভেন্দু বলেন, ‘মনে আছে তো আপনাদের ডেলোর মিটিংয়ের কথা। সেই সুদীপ্ত সেন, সেই সারদা, সেই রোজ ভ্যালি। সেই ডেলোতে উনি অনেক এপাং ওপাং ঝপাং করেছেন।’ তাঁর কথায়, উনি একাধিকবার উত্তরবঙ্গে বেড়াতে এসেছেন, কিন্তু মানুষের জন্য কোনও উন্নয়ন হয়নি।
লোকসভার প্রস্তুতি বার্তা
এদিনের উত্তরের উত্তরণে নামক সম্মেলন থেকে আগামী লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির পাশে থাকার বার্তা দিয়ে যান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করাটা প্রথম শিখিয়েছিল উত্তরবঙ্গ। ২০০৯ সাল থেকে এই লোকসভা কেন্দ্রে পদ্মের উপরেই ভরসা রেখেছে পাহাড়ের বাসিন্দারা। শুভেন্দু বলেন, ‘ পাহাড় আজকে গতকাল যেটা ভেবেছে, আগামী দিনে গোটা বাংলা সেটা ভাববে।’ শুভেন্দু বলেন, ‘ যদি উত্তরবঙ্গের দেখানো পথে আজ বাংলা হাঁটতো, তাহলে আমাদের রাজ্যের মেয়েটাকে চাকরির দাবিতে নিজের কেশ বিসর্জন দিতে হতো না।’
উত্তরকন্যা নিয়ে কটাক্ষ
পাহাড়ের মানুষের যাতে প্রশাসনিক পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ না থাকে, দক্ষিণ বঙ্গের মানুষ রাজ্য সরকারের কাছ থেকে যে পরিষেবা পায়, সেটা থেকে উত্তরবঙ্গ যাতে বঞ্চিত না হয়, সেই কারণে ২০১৪ সালে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগের অস্থায়ী সচিবালয় হিসেবে উত্তর কন্যা তৈরি করা হয়। পাহাড়ের জেলা গুলির প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড করা হয় এই ভবন থেকে। সেই ব্যবস্থা নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, এই উত্তরকন্যা থেকে আদৌ উত্তরবঙ্গের কোনও মানুষ পরিষেবা পান না। উত্তরকন্যা পরিদর্শন করে কাজ কেমন চলছে, সে ব্যাপারে তিনি এদিন খোঁজ নেবেন বলেও জানান শুভেন্দু। যদিও, এদিন উত্তর কন্যা যাওয়ার সময় রাস্তায় আটকানো হয় তাঁকে বলে অভিযোগ।
