Domestic Violence: বিয়ে না করেও বধূ নির্যাতনের কেস! এই সময় ডিজিটালে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ভাগ নীলাদ্রির – madhyamgram youth says he was framed by ex colleague who gives false allegation in 498 case


বিয়ে না করেই বধূ নির্যাতন মামলায় ‘আসামী’? অভিযোগ শুনে প্রথমে আকাশ থেকে পড়েছিলেন মধ্যমগ্রামের যুবক নীলাদ্রি দত্ত। তাঁর দাবি, কোনওদিন বিয়েই করেননি তিনি। সেক্ষেত্রে তাঁর বউ এল কোথা থেকে? ধীরে ধীরে ফাঁস হয় রহস্য।

একটি বেসরকারি সংস্থায় হিউম্যান রিসোর্স বা এইচ আর বিভাগে কাজ করতেন নীলাদ্রি। কাজকর্ম ভালোই চলছিল। কিন্তু, আচমকাই একদিন তাঁর মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়ে। দুয়ারে পুলিশ এসে জানায়, তিনি ৪৯৮ ধারা অর্থাৎ বধূ নির্যাতনে অভিযুক্ত। এই মর্মে দমদম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই যুবক দাবি করেন, তিনি বিবাহিতই নন। সেক্ষেত্রে বধূ নির্যাতনের প্রশ্নই ওঠে না। ২০২২ সালে তাঁকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। এরপর তিনি অবশ্য জামিনে মুক্ত হন।

এরপরেই হঠাৎ করে জুড়ে যাওয়া ‘বিবাহিত’ তকমা নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন তিনি। আর সেই খোঁজ করতে গিয়ে তিনি যা জানতে পারেন, তা জানতে রীতিমতো চোখ কপালে ওঠে ওই যুবকের।

নীলাদ্রি এই সময় ডিজিটাল-এ দাবি করেন, ‘আমারই অফিসে এক তরুণী কর্মরত ছিলেন। তিনিই এই অভিযোগ করেছিলেন।’ নীলাদ্রিকে বেশ পছন্দ ছিল ওই তরুণীর। যদিও তা নিয়ে বিশেষ আমল দেননি মধ্যমগ্রামের এই যুবক। কিন্তু, প্রেমের ডাকে সাড়া না পেয়ে এই ধরনের কোনও ছক কষতে পারেন তিনি, তা ভাবনার অতীত ছিল নীলাদ্রির জন্য।

জামিনে মুক্ত হয়ে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর পালটা ওই তরুণীর নামে অভিযোগ দায়ের করেন নীলাদ্রি। এরপর গ্রেফতার হন ওই তরুণীও। পরে অবশ্য জামিনও পান।

আপাতত বধূ নির্যাতন মামলাটি ব্যারাকপুর আদালতে বিচারাধীন। ঠিক কী নির্দেশ দেয় আদালত? সেই দিকেই তাকিয়ে নীলাদ্রি এবং তাঁর পরিবার। মধ্যমগ্রামের এই যুবক বলেন, ‘আমি নতুন একটি চাকরি পেয়েছি। কিন্তু, ভয় লাগে এখনও। যিনি আমার নামে অভিযোগ করেছিলেন তিনি আরও অনেকের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাঁর বাবা পেশায় একজন আইনজীবী। সেই কারণে আইনের মারপ্যাঁচ খুবই ভালোভাবে জানে।’

নীলাদ্রি আরও জানান, চাইলেও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন না তিনি। কারণ খাতায় কলমে তিনি এখনও বিবাহিত । অর্থাৎ আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি না পেলে নতুন করে কারও সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধও হতে পারবেন না তিনি।

কী ভাবে ওই তরুণী রেজিস্ট্রির নথিভুক্তিকরণের মতো এত বড় একটি কাণ্ড ঘটালেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও ওই তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *