আদানি ইস্যুতে কী বললেন মমতা?
বিরোধী দলগুলির ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য রবিবারই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আদানি ইস্যুতে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, ‘বাংলায় আদানিদের প্রকল্প রিভিউ করা হচ্ছে।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে এখনও মূল বিষয়টা স্পষ্ট নয়। মমতা নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার আদানিদের প্রকল্পে আগ্রহ হারাচ্ছে, না আদানি গোষ্ঠী বন্দর নির্মাণে বেঁকে বসেছে, তা এখনও বোঝা যায়নি। তবে এটা স্পষ্ট যে তাজপুরের বন্দর নিয়ে বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে।
আদানিদের প্রকল্প রিভিউ করা হবে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী
বিজেপিকে আক্রমণ মমতার
এদিন দিল্লি থেকে একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকে আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘সব বিরোধী দলই কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপে রয়েছে। আমাকে এরা কিনতে পারবে না। যতদিন বাঁচব লড়াই চালিয়ে যাব। বিজেপির সঙ্গে আমার আদর্শগত মতবিরোধ রয়েছে। বিজেপির পুরোনো নেতাদের আদর্শ ছিল, নীতি ছিল। রাজনাথ সিং, নীতীন গড়করির মতো নেতারা এখনও রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোটই বিজেপির কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। তৃণমূল কংগ্রেস গত নির্বাচনের তুলনায় ভাল ফল করবে। বাংলায় বলেছিল ২০০ আসন পাবে, কিন্তু ফল প্রকাশের পর ১০০ পেরোতে পারেনি।’
আদানি ইস্যুতে অব্যাহত ধোঁয়াশা
এবারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মলনে আদানি ইস্যু নিয়ে মুখ খুলে মমতা বলেন, ‘তাজপুরে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি হবে। আপনারা এই টেন্ডারে অংশ নিতে পারেন। ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প।’ মমতার এই মন্তব্যের পর মনে করা হচ্ছিল, তাজপুরে আদানিরা আর প্রস্তাবিত বন্দর তৈরি করছেন না। এর কিছুদিনের মধ্যেই এই ইস্যুতে মুখ খোলেন শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, ‘আদানিদের এই প্রকল্প নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের শর্তসাপেক্ষ অনুমতি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
