ED Raid : শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরেও ‘হামলা’র মুখে ইডি, ছোড়া হল ইটও – ed officials again attacked by local people at bangao after arrest ex chairman sankar adhya


সন্দেশখালির পর বনগাঁতেও বিক্ষোভ-হামলার মুখে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় গভীর রাতে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ, শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতারের পর বনগাঁর বাড়ি থেকে নিয়ে বেরনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় ইডির আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। স্থানীয় মহিলারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, বিক্ষোভের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইঁটও ছোড়া হয়। গালিগালাজ করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। সূত্রের খবর, সকালে সন্দেশখালির ঘটনার কথা মাথায় রেখে লাঠি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

‘উদ্ধার হয়েছে টাকা’
রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে শুক্রবার সাতসকালেই বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর বাড়িতে হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। পাশাপাশি শঙ্কর আঢ্যর শ্বশুরবাড়ি, ভাইয়ের কারখানা এবং দুই কর্মচারীর বাড়িতেও একসঙ্গে অভিযান চালায় ইডি। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ শঙ্করকে কিছুদিন আগেই নোটিশ পাঠিয়ে ডেকেছিল কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। যদিও সেই সময় হাজিরা এড়িয়ে যান শঙ্কর। প্রাক্তন পুরপ্রধানের বাড়ি ও আত্মীয়র বাড়িতে তল্লাশির পর তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে শঙ্করের বাড়িতে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। তারপর গভীর রাত পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন তাঁরা।

জ্যোতিপ্রিয়র হাত ধরে রাজনীতিতে শঙ্কর
প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতি মামালয়া আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। জ্যোতিপ্রিয় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই শঙ্কর। শোনা যায়, এক সময় জ্যোতিপ্রিয়র হাত ধরেই রাজনীতিতে প্রবেশ ঘটে শঙ্করের। ২০০৫ সালে প্রথমবারের জন্য বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলার হন তিনি। পরে পুরসভার চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। বালুর (জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ডাকনাম) ছত্রছায়াতেই বিদ্যুৎ গতিতে বনগাঁ শহরে উত্থান ঘটে শঙ্করের। বনগাঁ শহরে শঙ্করই ছিলেন কার্যত ‘শেষ কথা’।

Ration Scam Latest News: জ্যোতিপ্রিয়র ঘনিষ্ঠ শঙ্কর আঢ্য গ্রেফতার
শঙ্করের বিপুল সম্পত্তি
সূত্রের খবর, বেশকিছু ব্যবসাও রয়েছে শঙ্করের। কলকাতা, বনগাঁ এবং পেট্রাপোল সীমান্তে বিদেশি মুদ্রা বিনিময়ের অফিস রয়েছে তাঁর। এছাড়া বনগাঁ এবং বাগদায় রয়েছে সোনার দোকান। হোটেল রয়েছে বনগাঁ শহরে। এছাড়াও তাঁর বিপুল সম্পত্তি রয়েছে বলে খবর। এবার বনগাঁর সেই বেতাজ বাদশাকেই জালে তুলল ইডি। এই ঘটনায় খুব স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলার রাজনীতিতে। আজই তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *