WBCS Exam : WBCS-WBPS নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মমতার – west bengal cm mamata banerjee huge announcement for wbcs wbps examination


এবার WBCS এবং WBPS পরীক্ষা নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। আর সেখানেই তিনি বলেন, ‘WBCS এবং WBPS থেকে উর্দু এবং সাঁওতালি ভাষা সংযোজিত করা হল।’ সঙ্গে হিন্দি ভাষারও সংযোজন করা হল বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি করা হচ্ছিল পড়ুয়া মহলের একাংশের তরফে। আঞ্চলিক ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হচ্ছিল। এবার সেই সিদ্ধান্তেই স্বীকৃতি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শেষে অনুষ্ঠিত হয়েছে ডব্লিউবিসিএস প্রিলিমস। পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় WBCS প্রিলিমস। সারা রাজ্যে একই দিনে পরীক্ষা হয়। ২০২৩ সালে প্রিলিমস হওয়ার কথা ছিল মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে। তারপর তা পিছিয়ে গিয়ে করা হয় জুন থেকে জুলাই মাস নাগাদ। যদিও এই তারিখগুলি সম্ভাব্য সময় ছিল।

এরপর ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয় প্রিলিমস। রাজ্যের বহু পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ডব্লিউ বি সি এস পরীক্ষার সাফল্যের জন্য প্রতি বছর বহু পরীক্ষার্থী চেষ্টা করেন। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে যাতে পড়ুয়াদের সফল করা যায় সেই জন্য সরকারের তরফে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্কুল কলেজ থেকেই যাতে সিভিল সার্ভিসের বিষয়ে আগ্রহী পড়ুয়ারা প্রশিক্ষণ নিতে পারে সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। জেলায় জেলায় বিভিন্ন স্কুলে এবং কলেজে WBCS-এর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই জন্য বিভিন্ন জেলাগুলিতে কর্তব্যরত IAS, IPS, WBCS অফিসারদের নিয়ে বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে। যাতে স্কুল জীবন থেকেই এই সমস্ত মেধাবী পড়ুয়াদের চিহ্নিত করা যায় সেই জন্য করা হয়েছে উদ্যোগ।

Yogashree Scheme : বিনামূল্যে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশিক্ষণ, যোগশ্রী প্রকল্পে আর কী কী সুবিধা মিলবে? রইল খুঁটিনাটি
জেলায় জেলায় উৎসাহী পড়ুয়াদের কোচিং দেওয়া থেকে শুরু করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য অনুপ্রেরণাও জোগাবেন এই টিমের সদস্যরা। মূলত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী ছাত্র ছাত্রীরা যাতে সমানভাবে পড়াশোনার সুযোগ পায় এবং এগিয়ে আসার সুযোগ থাকে সেই জন্যই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় WBCS পরীক্ষার আবেদনকারীদের সাহায্যের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। ২০১৬ সাল থেকে সেই কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *