Damodar River : দামোদরের পাড়ে পিকনিকে ছড়াচ্ছে দূষণ, বাড়ছে উদ্বেগ – asansol locals alleged picnic people are spreading pollution in damodar river bank


বিশ্বদেব ভট্টাচার্য, আসানসোল

ভোরের কুয়াশার চাদর সরিয়ে দিনের শুরু। হিমের পরশ কাটিয়ে বেলার দিকে মিঠে রোদ। বছরের শুরুতে এমন আবহাওয়াই পিকনিকের আদর্শ সময়। পিকনিক করার কোনও নির্দিষ্ট জায়গার বালাই নেই। নদীর চরে একটু ফাঁকা জায়গা পেলেই শুরু হচ্ছে হৈ-হুল্লোড়। আর পিকনিকের সেই আয়োজনের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে দূষণ। পিকনিক করতে আসা হাজার হাজার মানুষ দামোদরের চরে ব্যাপক দূষণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

দামোদরের পাড়ের ফাঁকা জায়গায় চলছে আগুন জ্বালিয়ে পিকনিকের রান্না। রানিগঞ্জের বল্লভপুর, সাহেবগঞ্জ, নারানকুড়ি, এগারা এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, খাওয়া-দাওয়ার পর থার্মোকলের থালা-গ্লাস, প্লাস্টিকের প্যাকেট, সব্জির খোসা নদীর চরে ছড়িয়ে চলি গিয়েছে পিকনিক পার্টি। মরার উপর খাড়ার ঘার মতো এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজে সাউন্ড বক্সের দাপট।

এদিকে, এই শীতের মরশুমে দামোদরের জল শুকিয়ে সরে গিয়েছে দূরে। শব্দের দাপটে এখন মাঝনদীতে আর আগের মতো পরিযায়ী পাখিও আসছে না। নদীর জলে ভাসছে প্লাস্টিক, থার্মোকলের থালা-গ্লাস। এতেই অশনি সঙ্কেত দেখছেন পরিবেশপ্রেমীরা। প্রশাসনের নজরদারি নেই বলেই তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের মতে, পশ্চিম বর্ধমানের জীবনরেখা দামোদরের দূষণ মানে ভবিষ্যৎ বিপন্ন।

পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের জেলা সম্পাদক কল্লোল ঘোষ বলেন, ‘দূষণ না করেই পিকনিক হোক। প্রশাসন উদ্যোগ নিলেই তা সম্ভব। প্লাস্টিক, থার্মোকল নদীর জলে পড়লে জলজ ইকো-সিস্টেম ধ্বংস হবে।’ নদী বাঁচানোর পরিকল্পনা কারা করবে? স্থানীয় প্রশাসন নির্বিকার। নদীর চর সাফাইয়ের নেই কোনও ব্যবস্থা। পিকনিক করতে আসা এক শিক্ষক জানালেন, স্থানীয় প্রশাসন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন তৈরি করেনি। নেই কোনও শৌচালয়ও। দূষণের জেরে বিপন্ন হচ্ছে দামোদর ও সংলগ্ন চর এলাকা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *