এই নিয়ে খোঁজ নিল এই সময় ডিজিটাল। বিষয়টি প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়েকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘সুকন্যা মণ্ডলের চাকরি প্রসঙ্গে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে এই ক্ষেত্রে যে নিয়ম রয়েছে তা মোতাবেক সুকন্যা মণ্ডলের জামিন পাওয়ার পর সেই কাগজপত্র পুলিশ আমাকে পাঠাবে। তারপর তিনি একটি লিখিত আবেদন করবেন। এরপর ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ প্রাইমারি এডুকেশনের শীর্ষ কর্তৃপক্ষ বিচার করবে। আমাদের কাছে যা কাগজপত্র আসবে, সেই মোতাবেক কাজ করব।’
বাবার গ্রেফতারির পর থেকেই স্কুলে যাওয়া একপ্রকার বন্ধ করে দিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। এই প্রসঙ্গে প্রলয় নায়েক বলেন, ‘যে দিনই তিনি যোগ দেবেন, তাঁকে লিখিত জমা দিতে হবে। এরপর পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেবে। অফিসিয়ালি তাঁর বক্তব্য আমাদের শুনতে হবে।’
উল্লেখ্য, গোরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁর গ্রেফতারির পর আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল তাঁকে। এরপর ED হেফাজতে নেই অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁকে দিল্লি পাঠানো হয়। আপাতত তিনি তিহাড় সংশোধনাগারে রয়েছেন। এই মামলাতেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল সুকন্যা মণ্ডলকে। এরপর তাঁকে তিহাড়ে রাখা হয়েছে।
এদিকে দীর্ঘদিন সরকারি স্কুলে অনুপস্থিত থাকার কারণে গত বছর জানুয়ারি মাস থেকে বেতন পাচ্ছেন না সুকন্যা মণ্ডল। নিয়ম মোতাবেক পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছিল পর্ষদের তরফে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের আগে বীরভূম নিয়ে কালীঘাটে একটি বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত থাকার কথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখনও বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলই। এর আগে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর অনুপস্থিতিতে বীরভূমের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা নির্বাচনের আগেও কি সংশ্লিষ্ট জেলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেবেন তিনি? উঠছে প্রশ্ন।
