School Teacher In WB : শিক্ষকদের থেকে চাঁদা চাওয়ায় জোর বিতর্ক জেলায় – demand of contribution for annual sports competition in south 24 parganas


এই সময়, কাকদ্বীপ: জেলা প্রাথমিক বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সরকারি অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন স্কুল ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের থেকে জোর করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এই অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূল শিক্ষা সেলের শিক্ষক সংগঠনের নেতৃত্ব ও জেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকদের বড় অংশ।

এই ঘটনায় অভিযোগের তির জেলার একাধিক অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং সার্কেল ক্রীড়া কমিটির বিরুদ্ধে। জেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বড় অংশ চাঁদা নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ডায়মন্ড হারবারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

ঘটনার কথা ই-মেল মারফত রাজ্য প্রাথমিক পর্ষদকেও জানিয়েছে শিক্ষকরা। রাজ্য প্রাথমিক ক্রীড়া পর্ষদের সহকারি সভাপতি মইদুল ইসলাম জানান, জেলাস্তরে প্রাথমিকের যেটুকু টাকা বরাদ্দ করেছে তা যথেষ্ট। তারপরও বাইরে থেকে আলাদা করে চাঁদা নেওয়ার কোনও নিয়ম নেই। যদি সেরকম ঘটনা ঘটে থাকে, তা বেআইনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি জেলা স্তরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে সোনারপুরে। পর্ষদের নির্দেশ অনুযায়ী জেলার সমস্ত ক্রীড়া কো-অর্ডিনেটর ও মহকুমাস্তরের কো-অর্ডিনেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের। অভিযোগ, কাউকে কিছু না জানিয়ে কোনও বৈঠক ছাড়া কী ভাবে সার্কেল অফিসের পাশাপাশি ক্রীড়া আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে?

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাঁচটি মহকুমার ৫১টি সার্কেল রয়েছে। বার্ষিক ক্রীড়ার জন্য সার্কেল পিছু বরাদ্দ হয়েছে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া মহকুমা স্তরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রত্যেকটি মহকুমার জন্য আলাদা ভাবে এক লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়। জেলার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫ লক্ষ টাকা।

School In West Bengal: বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ, স্কুলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের
চলতি বছরে রাজ্যের ৭২৭টি সার্কেলের পাশাপাশি মহকুমা ও জেলা স্তরে আলাদা ভাবে অর্থ বরাদ্দ করেছে পর্ষদ। ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের একজন প্রেমাংশু জানা বলেন, ‘জেলা প্রাথমিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য কোথাও ৫০০, কোথাও ২০০, কোথাও ১ হাজার, কোথাও দেড় হাজার, কোথাও আবার ২ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়া হচ্ছে। শুধু শিক্ষক-শিক্ষিকাদের থেকে নয়, স্কুলের খরচের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দ হওয়া বার্ষিক টাকা থেকেও কোথাও এক হাজার টাকা, কোথাও ২ হাজার টাকা থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।’

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান উজিদ নায়েককে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি ফোন ধরেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *